বৃহস্পতিবার সকালে অভিযুক্ত ওয়াজিবুল্লাহকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। সকালে প্রতিবন্ধী নারীকেও জেলা সদর হাসপাতালে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে।
বুধবার রাতে ধর্ষিতার স্বামী বাদী হয়ে ধর্ষক ওয়াজিবুল্লাহকে আসামি করে একটি মামলা করেছেন।
.png)
মঙ্গলবার উপজেলার লালপুর ইউপির লালপুর এসকে দাস চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন টানপাড়া এলাকায় ঘটনাটি ঘটে।
ধর্ষক ওয়াজিবুল্লাহ একই ইউপির নোয়াগাও এলাকার আব্দুস সালাম মুন্সির ছেলে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ওই নারী প্রায় সময় রাতে একা একা বাড়ির বাইরে গিয়ে হাঁটাহাঁটি করে। এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার রাতেও সে বাড়ির বাইরে গিয়ে একা একা হাঁটাহাঁটি করছিল। এ সুযোগে ওয়াজিবুল্লাহ তাকে ধরে লালপুর এসকে দাস চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয়ের পাশের টানপাড়া এলাকার সড়কের পাশে নির্জন স্থানে নিয়ে ধর্ষণ করে। এ সময় ওই প্রতিবন্ধী নারীর চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে ওয়াজিবুল্লাহ পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। পরে লোকজন তাকে ধরে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশকে খবর দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ রাতেই ওয়াজিবুল্লাহকে আটক করে।
আশুগঞ্জ থানার ওসি মো. জাবেদ মাহমুদ জানান, এলাকাবাসীর মাধ্যমে খবর পেয়ে মঙ্গলবার রাতে ধর্ষক ওয়াজিবুল্লাহকে আটক করে পুলিশ। বুধবার রাতে ধর্ষিতার স্বামী বাদী হয়ে ওয়াজিবুল্লাহকে আসামি করে থানায় একটি মামলা করেন। বৃহস্পতিবার সকালে ওয়াজিবুল্লাহকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।