গত এক বছরে রংপুরের চাঞ্চল্যকর ১২ হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করে আসামিদের আইনের আওতায় নিয়ে এসেছে।
নগর পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার (অপরাধ) শহিদুল্লাহ কাওছার জানান, নগরীতে আলোচিত ও ক্লু-লেস এসব হত্যার রহস্য উদঘাটন ও অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে মেট্রোপলিটন পুলিশের অপরাধ বিভাগ প্রতিটি হত্যা মামলা পর্যবেক্ষণ করে এর রহস্য উদঘাটন করছে।
.png)
আলোচিত এসব হত্যাকাণ্ডের মধ্যে ঢাকার ব্যবসায়ী তোশারফ হত্যা, হাজিরহাটের শিশু মুজাহেদুল হত্যা, শিশু পূর্ণিমা ধর্ষণ ও হত্যা, হারাগাছের সুমন হত্যা, তাজহাটের কবিরাজ মতি হত্যা, আইনজীবী আসাদ হত্যা, এন্তাজ হত্যা, মুলাটোলের অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা মিনু হত্যা, বীরভদ্রে স্ত্রী-সন্তান হত্যা, মুন্সিপাড়ার মনোয়ারুল হত্যা, রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের স্টাফ কোয়ার্টারে সোহেল হত্যা মামলা উল্লেখযোগ্য।
গত বছরের ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে চলতি বছরের ৩১ আগস্ট পর্যন্ত রংপুর মহানগরের বিভিন্ন এলাকায় এসব হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়।
নগর পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার জানান, গত এক বছরে নগরীর ছয়টি থানায় দুই শতাধিকেরও বেশি মামলা দায়ের হয়েছে। এর মধ্যে হত্যা মামলা ২১টি, ধর্ষণ ৩৮টি, অপহরণ ৫৬টি, চুরি ও প্রতারণার মামলা ৮৯টি, অস্ত্র আইনে ৪টি, ও ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে ৭ টি এবং পর্নোগ্রাফির মামলা ৩টি। এসব মামলায় ৪৩৯ জন আসামিকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে।
রংপুর নগর পুলিশ প্রধান মোহাম্মদ আবদুল আলীম মাহমুদ জানান, মেট্রোপলিটন পুলিশ অপরাধ নিয়ন্ত্রণে কঠোর অবস্থায় রয়েছে। চাঞ্চল্যকর হত্যা, ধর্ষণ, অপহরণসহ বেশ কিছু ঘটনার রহস্য উদঘাটন করে নগরবাসির কাছে প্রশংসিত হয়েছে।