কড়া নিরাপত্তায় আদালতে হাজির করা হয়েছে এ মামলায় কারাগারে থাকা প্রাপ্তবয়স্ক আট আসামিকেও। পুলিশি কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে আদালত প্রাঙ্গণজুড়ে। আদালতে আসা সব বিচারপ্রার্থীদের তল্লাশি করে ঢোকানো হচ্ছে আদালতে।
মিন্নির আইনজীবী মাহবুবুল বারী আসলাম জানিয়েছেন, মিন্নি ব্যতীত এ মামলার প্রাপ্তবয়স্ক ১০ আসামির মধ্যে নয়জন আসামির পক্ষে বিপক্ষে যুক্তি-তর্ক উপস্থাপন শেষ হয়েছে। মিন্নিকে নির্দোষ প্রমাণের জন্য আদালতে যুক্তি উপস্থাপন করেছি। আজ রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা মিন্নির পক্ষে উপস্থাপিত যুক্তি খণ্ডন করবেন। এরপর আদালত এ মামলার রায়ের তারিখ ঘোষণা করতে পারেন।
.png)
তিনি আরো বলেন, যুক্তিতর্ক শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে উচ্চ আদালতের আদেশে জামিনে থাকা আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নির জামিনের মেয়াদও শেষ হবে। তাই আমার জিম্মায় পুনরায় মিন্নির জামিনের জন্য আদালতে আবেদন করব। এরপর আদালত আদেশ দেবেন।
গত বছরের ২৬ জুন বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে রিফাত হত্যাকাণ্ড ঘটে। ১ সেপ্টেম্বর ২৪ জনকে অভিযুক্ত করে প্রাপ্ত ও অপ্রাপ্তবয়স্ক দু’ভাগে বিভক্ত করে আদালতে প্রতিবেদন দেয় পুলিশ। এর মধ্যে প্রাপ্তবয়স্ক ১০ জন এবং অপ্রাপ্তবয়স্ক ১৪ জনকে আসামি করা হয়েছে। মামলার চার্জশিটভুক্ত প্রাপ্তবয়স্ক আসামি মো. মুসা এখনো পলাতক।