দণ্ডিতরা হলেন, চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার আলোকদিয়া গ্রামের হারান মণ্ডলের ছেলে মুন্তাজ আলি ও পিতম্বরপুর গ্রামের সবী শেখের ছেলে হাসান আলি।
মামলার বিবরণ সূত্রে জানা যায়, ২০০৯ সালের ১১ এপ্রিল সকালে চুয়াডাঙ্গার মনিরামপুর গ্রামের রশিদ ঢাকার সাভারের নরুল হকের ছেলে জুবায়ের মাহমুদকে বিয়ের দেয়ার কথা বলে চুয়াডাঙ্গায় ডেকে নেয়। এরপর জুবায়ের চুয়াডাঙ্গায় পৌঁছালে রশিদসহ ১০-১২ জন মিলে তাকে অপহরণ করে নিয়ে যান। পরে জুবায়েরকে হত্যা করে লাশ গুম করে রাখেন।
.png)
২০০৯ সালের ২৯ এপ্রিল রাতে পুলিশ আলোকদিয়া গ্রামের একটি কবর থেকে জুবায়েরের লাশ উদ্ধার করে। জুবায়ের বাবা বাদী হয়ে ওই বছরের ১৪ এপ্রিল চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় সাতজনের নাম উল্লেখসহ আরো কয়েক জনকে অজ্ঞাত আসামি করে একটি মামলা করেন।