শনিবার রাতে ধর্ষণের শিকার গৃহবধূ বাদী হয়ে জগন্নাথপুর থানায় মামলাটি করেন। মামলায় একমাত্র আসামির নাম আবদুল খালিছ। কয়েকদিন আগে আবদুল খালিছের ভাগিনা শামীম আহমদের বিরুদ্ধে তরুণীকে ধর্ষণ ও তার বাবাকে মারধরের অভিযোগ উঠে। সেই ঘটনায়ও একটি মামলা করা হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ভুক্তভোগী গৃহবধূর স্বামী একজন কর্মহীন লোক। তাই স্বামীকে নিয়ে বাবার বাড়িতে থাকেন। পারিবারিকভাবে শক্তিশালী না হওয়ায় তাকে কু-প্রস্তাব দেন গ্রামের প্রভাবশালী আবদুল খালিছ। প্রস্তাবে সাড়া না দেয়ায় ৩ এপ্রিল রাতে গৃহবধূকে ধর্ষণ করেন খালিছ। বিষয়টি লোকলজ্জার ভয়ে কাউকে জানাননি ভুক্তভোগী। এরইমধ্যে আবদুল খালিছ আরো বেপরোয়া হয়ে ওঠেন।
.png)
এক পর্যায়ে গৃহবধূর ঘর থেকে কৌশলে ভোটার আইডি কার্ড, বিয়ের কাবিননামা ও জমির কাগজপত্রসহ নগদ ১০ হাজার টাকা নিয়ে যান আবদুল খালিছ। এসব জিনিস আটকে রেখে গৃহবধূকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন খালিছ। ৯ অক্টোবর রাতে আবারো সন্তানদের এক ঘরে আটকে রেখে স্বামীর গলায় চুরি ধরে বেঁধে গৃহবধূকে আবারো ধর্ষণ করেন আবদুল খালিছ। উপায়ান্তর না দেখেই তিনি আইনের আশ্রয় নিয়েছেন।
জগন্নাথপুর থানার ওসি ইখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী বলেন, গৃহবধূকে ধর্ষণের ঘটনায় তদন্ত চলছে। তদন্তের আলোকে ব্যবস্থা নেয়া হবে।