গ্রেফতাররা হলেন- কথিত প্রেমিক শফিকুল ইসলাম, বাদশা মিয়া ও মো. শাহীন। রোববার গভীর রাতে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
বন্দর থানার ওসি নিজাম উদ্দিন বলেন, রোববার রাত আড়াইটার দিকে আউটার রিং রোড থেকে বিধ্বস্ত অবস্থায় ১৮ বছর বয়সী ওই পোশাক শ্রমিককে উদ্ধার করা হয়। ওই এলাকায় বেড়াতে নিয়ে কথিত প্রেমিকসহ চারজন মিলে তাকে ধর্ষণ করেছে বলে পুলিশকে জানান তিনি। পরে তার দেয়া তথ্যে অভিযান চালিয়ে প্রেমিক শফিকুল ইসলামসহ তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে। জোবাইর নামে আরো একজন পলাতক রয়েছে। তাকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
.png)
ওসি আরো বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা দাবি করে- পূর্ব পরিচিত একজনের মাধ্যমে টাকার বিনিময়ে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের চুক্তিতে ওই পোশাক শ্রমিককে সেখানে নিয়ে যায় তারা। তবে ভুক্তভোগীর দাবি, প্রেমিক শফিকুলের সঙ্গে ঘুরতে গিয়ে রাত হয়ে গেলে সেখানে আরো তিনজন যোগ দেয়। পরে সবাই মিলে তাকে ধর্ষণ করে।