মহিলা বিষয়ক অধিদফতরের জেলা কার্যালয়ের তথ্যমতে, জেলার আটটি পৌরসভার পাঁচ হাজার ১৪৭ নারীকে প্রতি মাসে ৪১ লাখ ১৭ হাজার ৬শ’ টাকা ল্যাকটেটিং মাদার সহায়তা দেয়া হচ্ছে। প্রতি মাসে ৮শ’ টাকা হারে এ ভাতা ব্যাংকের মাধ্যমে তাদের দেয়া হয়।
এছাড়া জেলার আটটি উপজেলার ৯৩টি ইউনিয়নের ১১ হাজার ৭৪৩ জন নারীকে প্রতি মাসে ৯৩ লাখ ৯৪ হাজার ৪শ’ টাকা মাতৃত্বকালীন ভাতা দেয়া হচ্ছে।
.png)
পৌরসভায় ওয়ার্ড কাউন্সিলররা এবং উপজেলায় সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানরা উপকারভোগীদের আবেদন যাচাই-বাছাই করেন। পরে মহিলা বিষয়ক অধিদফতরের জেলা কার্যালয় থেকে উপকারভোগীদের নাম চূড়ান্ত করা হয়। এরপর তারা প্রত্যেকে ১০ টাকা দিয়ে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলেন। পরে তাদের অ্যাকাউন্টে ভাতার টাকা জমা হয়। তালিকাভুক্ত হওয়ার পর উপকারভোগীরা তিন বছর ধরে এ ভাতা পান।
এ বিষয়ে যশোর মহিলা বিষয়ক অধিদফতরের উপ-পরিচালক সকিনা খাতুন বলেন, দরিদ্র পরিবারের নারীদের ল্যাকটেটিং মাদার সহায়তা ও মাতৃত্বকালীন ভাতা দেয় সরকার। আর্থিক সংকটের কারণে মায়েরা যেন পুষ্টিহীনতায় না ভোগেন এবং তাদের সন্তানদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় যেন পুষ্টির ঘাটতি না হয়, সে লক্ষ্যে সরকার এ ভাতা দেয়। এটি সরকারের সময়োপযোগী একটি পদক্ষেপ।