বৃদ্ধা করিমুন নেছা বলেন, জীবনে আর নির্বাচন পাবো কি না জানিনা, তাই নাতিকে কাঁদতে কাঁদতে বললাম আমিও পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে চাই কারণ এটাই হতে পারে জীবনের শেষ নির্বাচন।
তিনি আরো বলেন, ভাবতেও পারছি না যে ভোট দিতে পেরেছি। ভোটের কথা শুধু সবার মুখে শুনতাম, হাটতে পারি না তাই বিছানায় পড়ে থাকি। ভেবেছিলাম ভোট দিতে পারব না। কিন্তু আমার নাতির সঙ্গে এসে ঠিকই ভোট দিতে পেরেছি। নাতিকে ধন্যবাদ জানাই বৃদ্ধ বয়সে আমার লাঠি হওয়ার জন্য।
.png)
নাতি বাপ্পি আহমদ বলেন, দাদি কালকে আমাকে কেঁদে কেঁদে বলছিলেন তিনি ভোট দিবেন, তাই আজকে দাদিকে ভোট কেন্দ্রে নিয়ে এসেছি। দাদির স্বপ্ন পূরণ করতে পেরেছি দেখে ভালো লাগছে।