এ নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো সাক্ষ্যগ্রহণের তারিখ পেছাল। এর আগে গত ২৪ জানুয়ারি সাক্ষ্যগ্রহণের তারিখেও তা হয়নি।
আলোচিত এই মামলায় মোট ৫১ জনকে সাক্ষী হিসেবে রাখা হয়েছে। বুধবার মামলার বাদীসহ পাঁচজনের সাক্ষ্য দেয়ার কথা ছিল।
সিলেটের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পিপি রাশিদা সাঈদা খানম জানান, বাদীপক্ষের আইনজীবী সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও ছিনতাই মামলা একই আদালতে একসাথে বিচার কাজ শুরু করার আবেদন করেন। বিচারক তা খারিজ করলে তিনি হাইকোর্টে আবেদন করেছেন। এজন্য আজও সাক্ষ্য গ্রহণ হয়নি।
.png)
বাদীপক্ষের আইনজীবী শহিদুজ্জামান চৌধুরী জানান, গত ২৪ জানুয়ারি আদালতে এ ঘটনায় হওয়া দুটি মামলা একসাথে বিচার কাজ শুরু করার আবেদন করেন। বিচারক আবেদন খারিজ করে দেন এবং বুধবার সাক্ষ্যগ্রহণের তারিখ নির্ধারণ করেন। এ আদেশের প্রেক্ষিতে তিনি হাইকোর্টে আবেদন করেছেন।
তিনি জানান, একই ঘটনায় হওয়া মামলা দুটি আদালতে পরিচালিত হলে সকলকে দুই জায়গায় সাক্ষী দিতে হবে এবং প্রশ্নবিদ্ধ বিচারের সম্ভাবনা দেখা দিবে।
গত বছরের ২৫ সেপ্টেম্বর রাতে সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হন এক নারী। এঘটনায় নির্যাতিতার স্বামী বাদি হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন। গত ৩ ডিসেম্বর সিলেটের মুখ্য মহানগর হাকিম (সিএমএম) আবুল কাশেমের আদালতে ৮ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের উপ-পরিদর্শক ইন্দ্রনীল ভট্টাচার্য। এরপর গত ১৭ জানুয়ারি অভিযোগ গঠন করে ২৪ জানুয়ারি সাক্ষ্যগ্রহণের তারিখ নির্ধারণ করেন আদালত। এদিন সাক্ষগ্রহণ না হওয়ায় বুধবার ফের সাক্ষ্যগ্রহণের তারিখ নির্ধারণ করা হয়।