ছাতিয়ানতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি শাহজাহান আলী বলেন, আমার বিদ্যালয়ের দেয়ালে এ পর্যন্ত ১৪টি মৌচাকের বাসা রয়েছে। স্কুলের জানালার কার্নিশে ঝুলছে মৌচাক। এখন স্কুল বন্ধ। তাই অনেকটা নিরাপদ মনে করেই এখানে বাসা বেঁধেছে। শুধু এ স্কুলই নয়। তার উত্তর পাশে জামালপুরের শেষ সীমানা হনুমানের চর স্কুলেও বসেছে মৌচাক। তবে এ বিদ্যালয়ের চিত্র আরো ভিন্ন। স্কুলের পুরো জানালার কার্নিশে বসেছে ৩০টি মৌচাক। স্থানীয়া মনে করছে নিরাপদ থাকার কারণে মৌমাছি এখানে বাসা বেঁধেছে।
স্থানীয় কবির হোসেন জানান, তুলশীরচর ইউনিয়নের হনুমানেরচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়রটি জামালপুর জেলার শেষ সীমানা। এ স্কুলের আশপাশে কৃষকরা সরিষার আবাদ করেছেন ব্যাপকভাবে। যে এলাকায় সরিষার চাষ বেশি হয় সে এলাকায় মৌমাছির বসবাসও বেশি।
.png)
স্থানীয় মোমিন মিয়া জানান, বিদ্যালয়ের মৌচাক থেকে মধু সংগ্রহ করতে এরই মধ্যে মৌয়ালদের আনাগোনা বেড়েছে। মৌমাছির চাক দেখতে কৌতূহলের শেষ নেই উৎসুক জনতার।