রোববার বিকেলে নোয়াখালী জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক সৈয়দ ফখরুল আবেদীন এ রায় ঘোষণা করেন।
২০১৫ সালের ১২ জুলাই বিকেলে উপজেলার কালাদরাপ ইউনিয়নের গৃহবধূ ফারজানা আক্তার টুনিকে হত্যার দায়ে আসামি আবদুর রহীম জাবেদ ওরপে আরিফকে এ দণ্ড দেয়া হয়। দণ্ডপ্রাপ্ত আরিফ সদর উপজেলার কালাদরাপ ইউনিয়নের শুল্লুকিয়া এলাকার চারুবানু গ্রামের আবদুল মান্নানের ছেলে।
.png)
আদালত সূত্র জানায়, চারুবানু এলাকার আবদুল বাসেতের স্ত্রী ফারজানা আক্তার টুনির বাড়ির সড়ক দিয়ে চলাচল নিয়ে আসামি আবদুর রহিম জাবেদের সঙ্গে বিরোধ ছিল। এরপর ২০১৫ সালের ১২ জুলাই জাবেদের সঙ্গে টুনির কথা কাটাকাটি হয়। এ ঘটনার জেরে জাবেদ ধারালো দা দিয়ে টুনিকে মাথায় কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। একপর্যায়ে পরিবারের লোকজন তাকে উদ্ধার করে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের বাবা নুরুল আমিন বাদী হয়ে একই বছরের ১৩ জুলাই আবদুর রহিম জাবেদকে আসামি করে সুধারাম থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। দীর্ঘ তদন্ত শেষে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সুধারাম থানার এসআই ইকবাল হোসেন ২০১৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।
রোববার আদালত ১৭ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে অভিযুক্ত আসামি আবদুর রহিম জাবেদকে আমৃত্যু কারাদণ্ড, ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরো এক বছরের কারাদণ্ড দেয়।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী গোলাম আকবর ও আসামির পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন আইনজীবী আবদুর রহিম রাসেল।