এ ঘটনায় বাড়ির কর্তা হুসেন আলী, তার শাশুড়ি ফিরোজা, স্ত্রী জমিলা, ছেলের বউ আসমা, নাতি ইয়াসিনকে অজ্ঞান করা হয়।
সকালে প্রতিবেশীরা বিষয়টি খোঁজ পাওয়ার পর তাদের নিকট আত্মীয় স্বজনদের জানায়। কিন্তু কেউ তাদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেয়নি। এমনকি প্রশাসনকেও জানায়নি। রোববার রাত এগারোটার সময় সংবাদ আসে সংবাদকর্মীদের কাছে।
.png)
জানতে চাইলে হুসেন আলীর ছেলে আব্দুস সাত্তার বলেন, আমি খবর পেয়ে ঢাকা থেকে সন্ধ্যার পর বাড়িতে এসেছি। কি যে করবো ভেবে পাচ্ছি না। এসে শুনেছি কারা নাকি কবিরাজি চিকিৎসা করেছে।
কিছুটা জ্ঞান ফিরে পেয়ে হুসেন আলীর স্ত্রী জমিলা বলেন, আমার গলার চেইন নিয়ে গেছে এটাই বলতে পারছি। সবার জ্ঞান না ফিরলে সব বলতে পারবো না।
এ বিষয়ে নান্দাইল মডেল থানার ওসি মিজানুর রহমান আকন্দ জানান, বিষয়টি আপনার মাধ্যমে জানতে পেরেছি খোঁজ নেয়া হচ্ছে।