গ্রেফতারের সময় ডাকাতদের কাছ থেকে স্বর্ণালংকার, লুণ্ঠিত মালামাল বিক্রির টাকা, ডিবি জ্যাকেট, ওয়াকিটকি, হ্যান্ডকাফ ও একটি হায়েস গাড়ি উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলেন আসাদুজ্জামান পলাশ, অলিউর রহমান, মো. আব্দুল হাকিম, রিপন আহাম্মেদ রবিন, কামরুল ইসলাম, মোহন চৌকিদার ও বাচ্চু মিয়া।
প্রেস ব্রিফিংএ জানান, টঙ্গী পূর্ব থানার কাজীবাড়ী ‘রিয়ামনি জুয়েলার্স’ নামক একটি স্বর্ণালংকারের দোকানের মালিক মো. ইয়াসিনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে দোকানের কর্মচারী আমির হোসেন, মালিকের মামাতো ভাই আবুল কালাম আজাদ ১৪ ভরি ৭ আনা স্বর্ণালংকার, ১০৭ ভরি রূপার অলংকার নিয়ে মালিক ইয়াসিনের বাসায় যাওয়ার জন্য রওনা হয়।
.png)
তারা রোববার রাত পৌনে ১১টার দিকে টঙ্গী পূর্ব থানাধীন কাজীবাড়ী মোড়ে উত্তোলন স্কুলের সামনে পৌঁছালে ডিবি পুলিশের জ্যাকেট পড়া ৬-৭ জন লোক একটি সাদা রঙের হাইয়েস গাড়ি নিয়ে দোকানের কর্মচারী আমির হোসেন, মালিকের মামাতো ভাই আবুল কালাম আজাদের পথরাধে করে। ডিবি পরিচয়দানকারী লোকেরা তাদেরকে চেক করার কথা বলে দুইজনকে জোর করে তাদের হাইয়েস গাড়িতে উঠিয়ে নিয়ে মারধর করে শরীরের বিভিন্ন অংশে জখম করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়া যায় এবং তাদের সঙ্গে থাকা স্বর্ণালংকার লুটে নেয়। পরে তাদেরকে কোনাবাড়ী থানাধীন মৌচাক এলাকায় রাস্তার পাশে ফেলে দেয়। পরে তারা দুজন একটি দোকানে গিয়ে ঘটনাটি দোকান মালিককে জানায়।
এ ঘটনায় মঙ্গলবার টঙ্গী পূর্ব থানায় মামলা হলে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ ঢাকা জেলার দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ, ঢাকা মহানগরীর শাহবাগ ও পল্টন থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে বুধবার ওই সাত ডাকাতকে গ্রেফতার করে।
পুলিশ আরো জানায়, গ্রেফতারকৃতরা ঢাকা, চট্টগ্রাম, বরিশাল ও গাজীপুরে ডাকাতি করতো। তাদের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় একাধিক ডাকাতি মামলা রয়েছে বলে তারা পুলিশের কাছে স্বীকার করেছে।
প্রেস ব্রিফিংয়ে উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিবি) মোহাম্মদ নূরে আলম, সহকারী কমিশনার রিপন চন্দ্র সরকার, আবু সায়েম নয়ন, পুলিশ পরিদর্শক ইব্রাহিম খলিল উপস্থিত ছিলেন।