আসামিরা হলেন- প্রতিষ্ঠানটির মালিক সোনিয়া মেহজাবিন, তার স্বামী মাসুকুর রহমান, সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা শেখ সোহেল রানা, প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা আমানুল্লাহ, বীথি আক্তার, জায়েদুল ফিরোজ ও নাজমুল হাসান রাসেল।
বাদীপক্ষের আইনজীবী গোলাম মাওলা মুরাদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
.png)

তিনি বলেন, ই-অরেঞ্জ সারাদেশে লাখ লাখ গ্রাহকের সঙ্গে প্রতারণা করেছে। আমরা চট্টগ্রামের প্রতারিত গ্রাহকদের টাকা ফেরত চেয়ে আদালতে মামলা করেছি। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে।
মামলায় অভিযোগ করা হয়, গত ২৭ মে’র পর থেকে বিভিন্ন সময় ক্রয় করার জন্য ই-অরেঞ্জকে অর্থ প্রদান করেন এ গ্রাহক। কিন্তু নির্দিষ্ট সময়ের পরও এমনকি এখন পর্যন্ত গ্রাহককে কোনো পণ্য সরবরাহ করেনি প্রতিষ্ঠানটি। অর্ডার নেয়ার পর থেকে তারা ফেসবুকে নোটিশের মাধ্যমে বিভিন্ন সময় গ্রাহকদের পণ্য সরবরাহের আশ্বাস দেয়, কিন্তু পণ্য সরবরাহ না করে দেশে প্রায় এক লাখ গ্রাহকের ১১শ’ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছে। এর মধ্যে বাদী নুরুল আবছার পারভেজসহ তিন ব্যবসায়ীর প্রায় সাড়ে ১১ লাখ টাকা রয়েছে।
এর আগে, একই অভিযোগে ঢাকা ও কুমিল্লায় সোনিয়া মেহজাবিন এবং তার স্বামী মাসুকুর রহমানের বিরুদ্ধে মামলা হয়।