সরেজমিনে দেখা গেছে, পাসপোর্ট অফিসের আশপাশে দালালদের চিহ্নিত অফিসগুলো তালাবদ্ধ। এতদিন এসব স্থানে গ্রাহকদের ভিড় থাকলেও বর্তমানে প্রায় জনশূন্য। র্যাবসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কয়েকটি অভিযানে দালালচক্রের কয়েকজন রাঘব বোয়াল ধরা পড়ার পর পুরোপুরি পাল্টে গেছে এখানকার দৃশ্যপট।
গ্রাহকরা জানান, এখন তারা দালালদের হাতে হয়রানির শিকার হন না। সময়ও নষ্ট হয় না। বর্তমানে সবাই কম সময়ে নির্বিঘ্নেই প্রয়োজনীয় সেবা নিতে পারছেন।
.png)
কুমিল্লা আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস সূত্রে জানা গেছে, দেশের অন্য জেলার তুলনায় কুমিল্লায় প্রবাসী বেশি হওয়ায় পাসপোর্টের চাহিদাও বেশি। এছাড়া সম্প্রতি ভ্রমণের জন্য পাসপোর্টের আবেদনও বেশি পড়ছে। তবে লোকবল কম থাকায় আগের চেয়ে কিছুটা চাপ বেড়েছে।
প্রয়োজনীয় লোক নিয়গের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে জানিয়ে কুমিল্লা আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের উপ-পরিচালক মো. নুরুল হুদা
বলেন, এখানে ২৫টি পদের বিপরীতে ২৩ জন কর্মরত আছেন। বাকি দুটি পদে নিয়োগের জন্য আবেদন করা হয়েছে। আশা করি, শিগগিরই আমরা প্রয়োজনীয় জনবল পাব। এতে গ্রাহকদের সেবা দেওয়া আরো সহজ হবে।
তিনি আরো বলেন, কুমিল্লা আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস বর্তমানে একেবারে দালালমুক্ত হয়েছে বলব না। তবে এ সংখ্যা অনেকাংশে কমে এসেছে। আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। পুরোপুরি দালালমুক্ত হতে জনগণকেও সচেতন হতে হবে।