মঙ্গলবার দুপুরে গাজীপুর সদর উপজেলার পিঙ্গাইল এলাকায় রাজেন্দ্র ইকো রিসোর্টে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান গাজীপুরের প্রাক্তন পুলিশ সুপার ও রাজেন্দ্র ইকো রিসোর্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ বজলুল করিম (বি করিম)।
ব্রিফিংয়ে তিনি জানান, ওই এলাকার কবির আহম্মদ মাহমুদী ও সাব্বির আহমেদ মাহমুদীর কাছ থেকে ১৮ জন ব্যক্তি জমি ক্রয় করে রাজেন্দ্র ইকো রিসোর্ট লিমিটেড নামে একটি রিসোর্ট গড়ে তোলেন। এতে বিনিয়োগ করা হয় প্রায় ১৮ কোটি টাকা। পরে এ রিসোর্টটি রেজিস্ট্রার অব জয়েন্ট স্টক কোম্পানি ও ফার্ম থেকে কোম্পানি গঠন এবং গাজীপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে লাইসেন্স গ্রহণ করা হয়।
.png)
তিনি অভিযোগ করেন কবির আহম্মদ মাহমুদী ও সাব্বির আহমেদ মাহমুদী এসব জমির ভায়া দলিল ব্যবহার করে ইয়েস পাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ লিমিটেড নামে প্রতিষ্ঠান গঠন করেন। রাজেন্দ্র ইকো রিসোর্টের বিভিন্ন কটেজ ভাড়া দিয়ে তা দখল করার পায়তারা করছে। তারা ইয়েস পাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ লিমিটেড এর নিবন্ধন বাতিলেরও দাবি জানান।
এ প্রেক্ষিতে গত শুক্রবার রাতে ৫০-৬০ জনের একদল বহিরাগত লোক অবৈধভাবে রিসোর্টে প্রবেশ করে ব্যাপক ভাঙচুর, লুটপাট ও কর্মচারীদের মারধর করে। এ সময় তাদের চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে দুইজনকে আটক করে ফেলে। এ ঘটনায় জয়দেবপুর থানায় মামলা দায়ের করা হয়।
তিনি আরো বলেন, আমাদের রিসোর্টে হামলা চালিয়ে বিবাদী পক্ষ উল্টো আমাদের নামে আদালতে চাঁদাবাজির মামলা করেছে। এতে স্থানীয় একজন ইউপি সদস্যকেও আসামি করা হয়। এ ঘটনায় তিনি কোটি কোটি টাকার সম্পদ রক্ষায় প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্টদের সহযোগিতা কামনা করেছেন।
প্রেস ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ছিলেন রাজেন্দ্র ইকো রিসোর্টের পরিচালক এজাজুল করিম, এমদাদুল করিম, ওয়াহিদুল ইসলাম, সফিকুর রহমান, স্থানীয় ভাওয়ালগড় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু বকর সিদ্দিক প্রমুখ।
এ ব্যাপারে সাব্বির আহমেদ মাহমুদী জানান, সৈয়দ বজলুল করিম গং তাদের সঙ্গে করা চুক্তির শর্তগুলো না মেনে মামলাসহ নানাভাবে তাদের হয়রানির চেষ্টা করছেন। এ ব্যাপারে একাধিকবার বৈঠক হলেও বৈঠকের সমঝোতা তারা মানেননি। রিসোর্টে হামলার ঘটনাও সঠিক নয়।