ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

মেহেরপুরে হাড় কাঁপানো শীতে অসহায় নিম্ন আয়ের মানুষ 

মেহেরপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৬:৩৮, ২০ ডিসেম্বর ২০২১
মেহেরপুরে হাড় কাঁপানো শীতে অসহায় নিম্ন আয়ের মানুষ 
মেহেরপুরে হাড় কাঁপানো শীতে অসহায় নিম্ন আয়ের মানুষ 

গত দুদিন ধরে চলা শৈত্য প্রবাহে হাড় কাঁপানো শীত, ঘন কুয়াশা আর কনকনে হিমেল বাতাসে নিদারুণ কষ্টে পড়েছেন মেহেরপুর জেলার ছিন্নমুল, অসহায় দুস্থ, মানুষগুলো।  শীতবস্ত্রের অভাবে চরম বেকায়দায় পড়েছেন নিম্ন আয়ের হাজার হাজার মানুষ।

চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সামাদুল হক জানান, সোমবার এ অঞ্চলে ৭ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। এ মৌসুমে এটিই জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। তাপমাত্রা আরো কমতে পারে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

জেলার গাংনী উপজেলা শহরের শীতবস্ত্র মার্কেটে ও পুরনো কাপড়ের দোকানগুলো ঘুরে দেখা গেছে, একটি শীতবস্ত্র সংগ্রহে মানুষ ভিড় করছেন।

Advertisement

আজ থেকে শৈত্য প্রবাহ শুরু হয়েছে। এটি দুই থেকে তিনদিন থাকতে পারে। এ সময় তাপমাত্রা আরো কমতে পারে বলেও জানান তিনি। তীব্র শীতের প্রকোপে মানুষ প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে বের হচ্ছেন না। প্রচণ্ড শীতের দাপটে শিশু, বয়স্ক মানুষ একেবারে কাহিল হয়ে পড়েছেন। শুধূ মানুষই নয়, জবুথবু হয়ে পড়েছে প্রাণীকুলও।

আরো পড়ুন >>> শুরু হয়েছে শৈত্যপ্রবাহ, কাঁপছে চুয়াডাঙ্গা

শীতের প্রকোপে শ্বাসকষ্ট, অ্যাজমা আক্রান্তরা কষ্ট পাচ্ছেন। আর এসব আক্রান্ত রোগী হাসপাতালে বেশি ভর্তি হচ্ছেন। এছাড়া সর্দি জ্বর, কাশি ও ডায়রিয়ায় আক্রান্তরা হাসপাতালে ছুটে আসছেন।

প্রচণ্ড শীতের দাপটে শিশু, বয়স্ক মানুষ একেবারে কাহিল হয়ে পড়েছেন।

প্রতি বছর শীত মৌসুমে সরকারি ছাড়াও বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন দুস্থ, গরিব ও ছিন্নমূল মানুষের মধ্যে শীতবস্ত্র বিতরণ করেন। কিন্তু এ বছর শীতবস্ত্র বিতরণ একেবারে কম।

ডিসি ড. মুনসুর আলম খান জানান, দুস্থ ও অসহায় মানুষের জন্য শীতবস্ত্র কম্বলের জন্য দুর্যোগ, ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ে চাহিদাপত্র পাঠানো হয়েছে। তীব্র শীত পড়ার সঙ্গে সঙ্গে জেলার বিভিন্ন স্থানের পুরনো কাপড়ের মার্কেটগুলোতে।

ঘন কুয়াশা

সোমবার সরেজমিন গিয়ে জেলার গাংনী উপজেলা শহরের শীতবস্ত্র মার্কেটে ও পুরনো কাপড়ের দোকানগুলো ঘুরে দেখা গেছে, একটি শীতবস্ত্র সংগ্রহে মানুষ ভিড় করছেন। কিন্তু এসবের দাম সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে। তীব্র শীত পড়ায় এবং মানুষের উপস্থিতি বেশি দেখে গরম কাপড়ের ব্যবসায়ীরা দাম অপেক্ষাকৃত বেশি হাঁকছেন। ফলে দুস্থ ও অসহায় গরিব মানুষ এসব গরম কাপড় সংগ্রহে ব্যর্থ হচ্ছেন।

ডেইলি-বাংলাদেশ/ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!