ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

বগুড়ায় স্ত্রীকে ছুরিকাঘাতে হত্যায় স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

বগুড়া প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৭:৩৩, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২২
বগুড়ায় স্ত্রীকে ছুরিকাঘাতে হত্যায় স্বামীর মৃত্যুদণ্ড
বগুড়া অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত-৩

বগুড়ায় ছুরিকাঘাতে স্ত্রীকে হত্যার দায়ে স্বামী রতন মিয়াকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে তাকে ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার বিকেলে বগুড়া অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত-৩ এর বিচারক বেগম রুবাইয়া ইয়াসমিন এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত রতন মিয়া বগুড়া সদর উপজেলার পালশা গ্রামের শুক্কুর মোহাম্মদের ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে পলাতক। তার স্ত্রী শাকিলা খাতুন একই গ্রামের আজাহার আলীর মেয়ে।

Advertisement

২০০২ সালের ২১ জুন শাকিলাকে হত্যা করা হয়। পরবর্তীতে নিহতের ভাই সারোয়ার হোসেন বাদী হয়ে সদর থানায় হত্যা মামলা করেন।

মামলার বিবরণে জানা গেছে, ১৯৯২ সালে রতনের সঙ্গে শাকিলার বিয়ে হয়। পারিবারিক কলহের জেরে ২০০২ সালে শাকিলাকে তালাক দেন রতন। আবার একই বছরের ৪ জুন তারা দাম্পত্য জীবন শুরু করেন। তবে নতুন সংসার শুরুর ১৫ দিনের মাথায় ফের কলহ হয় রতন-শাকিলার। ঐ সময় শাকিলার ভাইয়ের বিয়ে চলছিল। বাক্‌বিতণ্ডার এক পর্যায়ে বিয়ের অনুষ্ঠান থেকে নিজ বাড়িতে চলে যান রতন। পরদিন ২১ জুন শ্বশুরবাড়িতে ফিরে আসেন এবং কবিরাজ দেখানোর কথা বলে শাকিলাকে নিয়ে বের হন।

আরো জানা গেছে, শাকিলাকে সদরের গোদারপাড়া বাজারের পাশের একটি জমিতে নিয়ে  যান রতন। সেখানে প্রথমে গলা টিপে হত্যার চেষ্টা করে ব্যর্থ হন তিনি। এক পর্যায়ে শাকিলার গলায় ও পেটে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যান। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যান তিনি। পরে স্থানীয়দের খবরে শাকিলার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ঐ ঘটনায় মামলার পর শাকিলার স্বামী রতনকে গ্রেফতার করা হয়। পরবর্তীতে হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দেন তিনি । ২০০২ সালের ১০ অক্টোবর রতনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ।

বগুড়া অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত-৩ এর অতিরিক্ত সরকারি কৌঁসুলি বিনয় কুমার জানান, রতনের অনুপস্থিতিতেই তার মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন বিচারক। আসামি রতন দীর্ঘদিন ধরে পলাতক। তাকে গ্রেফতারে পুলিশকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!