নির্যাতনের শিকার দুজন হলেন- হাড়াভাঙ্গা গ্রামের মতিয়ার রহমানের ছেলে মিজানুর রহমান ও স্থানীয় এক সৌদি প্রবাসীর স্ত্রী।
স্থানীয়রা জানায়, নির্যাতনের শিকার নারীর স্বামী সৌদি প্রবাসী। এর মাঝে এলাকার ব্যবসায়ী মিজানের সঙ্গে তার সম্পর্ক গড়ে তোলে। তাদের চলাচল সন্দেহজনক হওয়ায় হাতেনাতে ধরার পরিকল্পনা করেন স্থানীয় লোকজন। শনিবার রাত সাড়ে ১১টায় তারা দুজনকে একসঙ্গে পাওয়া মাত্রই দড়ি দিয়ে বেঁধে রাখেন। রোববার সকালে উভয়পক্ষের লোকজন সালিশ বৈঠকে মিলিত হন।
.png)
বৈঠকে ওই নারী বলেন, আমাকে মিথ্যা কলঙ্কের জালে ফাঁসাতেই এমন অভিযোগ করছে স্থানীয়রা। গত রাতে আমার ঘরে জোর করে ঢোকেন মিজান। তিনি আসার সঙ্গে সঙ্গে আমাকে সংসার ছাড়া করতে মিথ্যা অভিযোগ করেন শ্বশুরবাড়ির লোকজন। আমাদের শুধু বেঁধেই রাখা হয়নি। শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনও করা হয়েছে।
ইউপি সদস্য মহিবুল ইসলাম জানান, উভয়পক্ষের লোকজন তাদের ব্যাপারে একমত না হতে পারায় বৈঠক স্থগিত করে মিজানের দুলাভাইয়ের জিম্মায় দেওয়া হয়। ওই নারীকেও তার দুলাভাইয়ের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে কাজিপুর ইউপি চেয়ারম্যান আলম হোসেন বলেন, আমি সেখানে গিয়েছিলাম। তখন তারা বাঁধা অবস্থায় ছিল না। তবে তাদের সারারাত বেঁধে রাখা হয়েছিল এ বিষয়ে শুনেছি এবং ছবি ফেসবুকে দেখেছি। এ বিষয়ে নির্যাতিতরা আইনের আশ্রয় নিলে সার্বিক সহযোগিতা দেওয়া হবে।
গাংনী থানার ওসি আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ঘটনাটি শুনেছি। কিন্তু উভয়পক্ষের কেউ আমাদের কাছে এ পর্যন্ত অভিযোগ করেননি। তাই পুলিশের কোনো ভূমিকা নেই। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।