এ ঘটনায় রোববার রাতে কুষ্টিয়া মডেল থানায় মামলা করেন শিশুটির বাবা। নিহত শিশু কুষ্টিয়া পৌরসভার ১০নং ওয়ার্ডের পূর্ব মিলপাড়া এলাকার একটি স্কুলের প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।
জানা গেছে, শনিবার বিকেল থেকেই নিখোঁজ ছিল শিশুটি। খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে সন্ধ্যা ৭টার দিকে একটা টিনের ঘরে গলায় ওড়না পেঁচানো ও অচেতন অবস্থায় তাকে মাটিতে পড়ে দেখেন তার মা। এরপর শিশুটিকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। ময়নাতদন্ত শেষে রোববার দুপুরে পরিবারের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হয়। একইদিন বিকেলে শিশুটির দাফন সম্পন্ন হয়।
.png)
এদিকে, এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হলে রোববার দুপুরে সন্দেহভাজন অভিযুক্তদের বাড়িঘর ও দোকানপাট ভাঙচুরের চেষ্টা চালায় নিহতের পরিবারের লোকজন। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
নিহত শিশুটির মা বলেন, সিরাজুল, ইনসান ও সুমন নামে তিনজন মিলে আমার মেয়েকে ধর্ষণের পরে হত্যা করেছে। আমি তাদের ফাঁসি চাই।
নিহতের বাবা বলেন, আমার ৭ বছরের মেয়েকে ধর্ষণের পর শারীরিক নির্যাতন ও শ্বাসরোধে হত্যা করেছে প্রতিবেশী সিরাজুল, ইনসান ও সুমন। আমি তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছি। আসামিরা আমাদের বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখাচ্ছে।
কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আরএমও ডা. আশরাফুল আলম বলেন, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে।
কুষ্টিয়া মডেল থানার ওসি সাব্বিরুল আলম বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।