একই দিন বিকেলে বাদীর আইনজীবী কামরুজ্জামান বাবুল ও আবদুল্লাহ আল নোমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এ সময় আসামি খাইরুল ইসলাম আদালতে উপস্থিত ছিল। তবে জিহাদ হোসেন ও এমদাদ হোসেন পলাতক।
নিহত জাহিদ হাসান ঐ উপজেলার দুলালপুর ইউনিয়নের সাপলেজি গ্রামের ব্যবসায়ী মো. আক্তারুজ্জামানের ছেলে। সে দুলালপুর চন্দ্রমনি উচ্চবিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্র ছিল। আসামিরা তার বন্ধু ছিল।
.png)
জানা গেছে, ২০১৭ সালের ৪ নভেম্বর জাহিদকে বাড়ির পাশ থেকে অপহরণ করে আসামিরা। তাকে না পেয়ে পরদিন হোমনা থানায় জিডি করে পরিবার। অপহরণকারীরা ৬ নভেম্বর সন্ধ্যায় নিহতের চাচা মাসুদ রানার মোবাইলে কল দিয়ে ৫০ লাখ টাকা মুক্তিপণ চায়। পরে বিষয়টি পুলিশকে জানায় জাহিদের পরিবার।
ফোনকলের সূত্র ধরে জিহাদ, এমদাদ ও খাইরুলকে গ্রেফতার করে পুলিশ। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা অপহরণের পর জাহিদকে হত্যার দায় স্বীকার করে। পরে তাদের দেওয়া তথ্যে জাহিদের লাশ দুলালপুর চন্দ্রমনি উচ্চবিদ্যালয়ের সেপটিক ট্যাংক থেকে উদ্ধার করা হয়।