গাইবান্ধা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল-১ আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের কৌশলী শাহীন গুলশান নাহার রায় প্রদানের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আমৃত্যু কারাদণ্ড ও জরিমানা ছাড়াও আলামত গোপন এবং মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ার অপরাধে দণ্ডবিধি ২০১ ধারায় মাজেদুলের আরো পাঁচ বছর কারাদণ্ড হয়েছে। এ ছাড়া জরিমানার টাকার মধ্যে ৫০ হাজার সরকারি কোষাগারে এবং ৫০ হাজার টাকা মামলার বাদী পাবেন বলে আদেশ দেওয়া হয়েছে।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৭ সালের ৩১ আগস্ট গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার গজারিয়া ইউনিয়নের বাউসি গ্রামের সেলিম মিয়ার সাত বছরের মেয়ে সিনথী আক্তারকে একই গ্রামের সায়দার রহমানের ছেলে মাজেদুল ইসলাম অপহরণ করে ধর্ষণ করে। পরে তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর বাড়ির পাশের পুকুরের কচুরিপানার নিচে লুকিয়ে রাখে। অনেক খোঁজাখুঁজির পর পরদিন ১ সেপ্টেম্বর ঐ পুকুর থেকে সিনথীর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এই ঘটনায় শিশুটির বাবা সেলিম মিয়া বাদী হয়ে ফুলছড়ি থানায় ধর্ষণ ও হত্যা মামলা করেন।
.png)
মামলায় মাজেদুলসহ চারজনকে আসামি করা হয়। সাক্ষ্য প্রমাণে দোষি প্রমানিত হওয়ায় মাজেদুল ইসলামকে আমৃত্যু কারাদণ্ড, একলাখ টাকা জরিমানা এবং আরো পাঁছবছর কারাদণ্ড দেওয়া হয়। খালাস পাওয়া তিনজন হচ্ছেন একই গ্রামের আহসান হাবিব, আকরাম মিয়া ও সেতারা বেগম। তাদের বিরুদ্ধে দোষ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের খালাস প্রদান করে আদালত।
আসামি পক্ষে সরকার নিযুক্ত আইনজীবী ও জেলা আইনজীবি সমিতির সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম বলেন, আসামিপক্ষ এই রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করবেন।