কিন্তু স্থানীয়দের দাবি, এসব অগ্নিকাণ্ডের নেপথ্যে রয়েছে রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীরা। তারা অত্যন্ত সুকৌশলে ক্যাম্পগুলোতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটাচ্ছে। এর খেসারত দিচ্ছেন তারাও। অগ্নিকাণ্ডে তাদের শতশত বসতবাড়ি পুড়ে যাচ্ছে।
স্থানীয়রা জানান, ক্যাম্পে অবস্থানরত রোহিঙ্গা ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ১০টি নির্দেশনা মেনে চলতে সুপারিশ করা হয়েছে। তদন্ত কমিটির রিপোর্টে সন্তুষ্ট নন তারা। রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর বেপরোয়া আচরণ প্রতিনিয়ত প্রত্যক্ষ করছেন তারা।
.png)
একাধিক জনপ্রতিনিধি জানান, অগ্নিকাণ্ডের বেশিরভাগ ঘটনা পরিকল্পিত নাশকতা। প্রত্যাবাসন বিরোধী আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি (আরসা) বা আল ইয়াকিন এসব ঘটনার সঙ্গে জড়িত। তাদের মদদেই ক্যাম্পগুলোতে সিরিজ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটছে।
সর্বশেষ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে গত ৮ মার্চ ৫ নম্বর ক্যাম্পে। রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বারবার এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা রহস্যজনক বলেই মনে করছেন সচেতন মহল।
অতিরিক্ত শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মোহাম্মদ সামছু-দ্দৌজা বলেন, সবগুলো অগ্নিকাণ্ডের যথাযথ তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। আশা করা হচ্ছে, খুব শিগগিরই রহস্য উদঘাটন হবে।