ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

জনপ্রিয় হচ্ছে সোলার পাম্পে সেচ, বাড়তি বিদ্যুৎ যাচ্ছে জাতীয় গ্রিডে

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৫:৫৫, ২৭ মার্চ ২০২২
জনপ্রিয় হচ্ছে সোলার পাম্পে সেচ, বাড়তি বিদ্যুৎ যাচ্ছে জাতীয় গ্রিডে
সোলার পাম্পের মাধ্যমে জমিতে সেচ দেওয়া হচ্ছে। ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ঠাকুরগাঁওয়ে সোলার বা সৌরবিদ্যুৎ চালিত পাম্পে কৃষি জমিতে সেচ দিনদিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। ডিজেল চালিত পাম্পের তুলনায় বিঘাপ্রতি ১৫০০-২০০০ টাকা কমে সেচ দিতে পাড়ছেন কৃষকরা। শুধু সেচ নয়, বাসাবাড়িতেও সোলারের ব্যবহার বাড়ছে।

এতে বিদ্যুতের ওপর চাপ তো পড়ছেই না, উল্টো সোলারে উৎপাদিত বাড়তি বিদ্যুৎ যুক্ত হচ্ছে জাতীয় গ্রিডে। যা এ খাতে অনেক বড় অবদান রাখছে।

বিদ্যুৎ অপচয় রোধ ও ডিজেলের অতিরিক্ত ব্যবহার কমাতে ১৯৯২ সালে দেশে সর্বপ্রথম সোলার প্যানেল নিয়ে আসে সরকার। এরপর থেকেই ধীরে ধীরে জনপ্রিয় হতে থাকে সৌর বিদ্যুতের ব্যবহার। ফলে একদিকে ডিজেলের খরচ, ঘন ঘন লোডশেডিং, ভোগান্তি কমেছে।

Advertisement

সদর উপজেলার ভেলাজান গ্রামের কৃষক রাহিমুল ইসলাম বলেন, আগে যে জমি সেচ দিতে ৪ হাজার টাকা খরচ হতো- তা এখন ১৫০০ টাকায় হয়ে যাচ্ছে। এতে আমাদের উৎপাদন খরচ কম হচ্ছে। এছাড়া সোলার পাম্প পরিবেশবান্ধব, এতে কালো ধোঁয়া হয় না।

ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি লিমিটেডের (ইডকল) রিজিওনাল ম্যানেজার মো. আজাদ রহমান বলেন, ঠাকুরগাঁও জেলায় বর্তমানে ২২২টি সৌরবিদ্যুৎ চালিত সেচ পাম্প রয়েছে। এর মধ্যে ২টিতে আধুনিক প্রযুক্তি সংযুক্ত করা হয়েছে। এর মাধ্যমে সেচ কাজে ব্যবহারের পর সোলার প্যানেল থেকে উৎপাদিত বাড়তি বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে জাতীয় গ্রিডে। পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির নেট মিটারিংয়ের মাধ্যমে প্রতি মাসে ১৯০০-২০০০ ইউনিট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যোগ হয়।

ঠাকুরগাঁও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের প্রশিক্ষণ অফিসার মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, সৌরবিদ্যুৎ চালিত সেচ পাম্প আরো বৃদ্ধি করা সম্ভব হলে কৃষকের উৎপাদন খরচ অনেক কমে আসবে। এতে ফসলের উৎপাদনও বাড়বে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!