রোববার দুপুর আড়াইটার দিকে মেহেরপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক (দায়রা জজ) মোঃ তহিদুল ইসলাম এ রায় দেন।
আসামি জাফরুল ইসলাম পলাতক রয়েছেন। তার আটকের দিন থেকে তার সাজা শুরু হবে। সাজাপ্রাপ্ত জাব্বরুল ইসলাম গাংনী উপজেলার সাহারবাটি গ্রামের এজেল হকের ছেলে।
.png)
মামলার বিবরণে জানা গেছে, সাহারবাটি গ্রামের এক গৃহবধূকে প্রতিবেশী জাব্বরুল ইসলাম মোবাইল ফোনে বিরক্ত করতো। জাব্বারুলের মোবাইল ফোনে ঐ গৃহবধূর কিছু আপত্তিকর ছবি আছে সেগুলো ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিতে থাকে। একপর্যায়ে জাব্বারুল ২০২০ সালের ৬ জুন গৃহবধূকে মোটরসাইকেলে তুলে নিয়ে নওপাড়া গ্রামের তার সহযোগী নওপাড়া গ্রামের বরকত আলীর বাড়িতে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করে। এ সময় তার আত্মচিৎকারে প্রতিবেশীরা ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করে।
এ ঘটনায় গৃহবধূ বাদী হয়ে গাংনী থানায় একটি মামলা করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা প্রাথমিকভাবে তদন্ত শেষে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।
জাব্বারুলের বিরুদ্ধে মামলাটি প্রমাণিত হওয়ায় আদালতের বিচারক তাকে ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো ৬ মাসের কারাদণ্ডাদেশ দেন।