নিহত ওই গৃহবধূর নাম হ্যাপি আক্তার। তিনি চাঁদপুরা ইউনিয়নের গ্রাম পুলিশ ফারুক মিরার স্ত্রী।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, পারিবারিক কলহের জের ধরে ভোররাতে কীটনাশক পান করেন হ্যাপি আক্তার। বিষয়টি টের পেয়ে তাৎক্ষণিক বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে নিলে ভোর ৬টার দিকে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
.png)
নিহতের বড় মেয়ে সুমা বলেন, ভোরে মায়ের কীটনাশক পান করার বিষয়টি টের পেয়ে হাসপাতালে নিলেও বাঁচাতে পারিনি।
বন্দর থানার ওসি আসাদুজ্জামান বলেন, চাঁদপুরা ইউনিয়নের এক গৃহবধূ আত্মহত্যা করেছেন। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শেবাচিম হাসপাতাল মর্গে রাখা আছে। ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।