জানা যায়, মঙ্গলবার সকালে অ্যাসেম্বলির পর তিন শিক্ষার্থীর হিজাব খুলতে বাধ্য করেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক তুষার কান্তি বড়ুয়া। এর মধ্যে একজনকে বেত্রাঘাতেরও অভিযোগ ওঠে। পরে লামিয়া বিনতিহা নামে এক শিক্ষার্থী এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ দেন। এর মধ্যে বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে শুরু হয় সমালোচনার ঝড়।
পরে বুধবার সকাল ১১টায় মিরসরাই উপজেলা প্রশাসন, শিক্ষা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর যৌথ সমন্বয়ে শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীদের হিজাব সংক্রান্ত বাধা-নিষেধ তুলে নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়। এর আগে তাদের ড্রেসকোডে হিজাব যুক্ত করে একটি বিজ্ঞপ্তিও প্রকাশ করে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
.png)
এদিন অ্যাসেম্বলি শেষে প্রথমে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এসএম জামিউল হিকমা, জোরারগঞ্জ থানার ওসি নূর হোসেন মামুন, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির খান ও জোরারগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রেজাউল করিম মাস্টারের উপস্থিতিতে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিজাব যুক্ত করে নতুন ড্রেসকোড ঘোষণা করেন। এরপর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষ পরিদর্শন করেন।
এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক তুষার কান্তি বড়ুয়া বলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ও ওসি সাহেবসহ সবার সম্মিলিত বৈঠকে হিজাব-স্কার্ফ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে। সেটি আমরা স্কুলের প্রাত্যহিক সমাবেশেও ঘোষণা দিয়েছি। আবার নোটিশ আকারেও প্রচার করেছি।