ধর্ষণের অভিযোগে ওই তরুণী কিশোরগঞ্জ থানায় মামলা করেছেন। অভিযুক্ত আজহারুলের বাড়ি কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার বিন্নাটি ইউনিয়নের দনাইল গ্রামে।
মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ওই তরুণীর সঙ্গে মাসখানেক আগে মুঠোফোনে আজহারুল ইসলামের পরিচয় থেকে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। প্রায়ই তাদের মধ্যে মুঠোফোনে কথা হতো। আজহারুল তরুণীকে ঘোরাফেরা করার জন্য কিশোরগঞ্জে আসতে বলেন। ওই তরুণী প্রথমবারের মতো আজহারুলের সঙ্গে দেখা করার জন্য ৫ এপ্রিল বিকেল ৫টার দিকে কিশোরগঞ্জের নতুন কারাগার মোড়ে আসেন। সেখানে আজহারুল ও তাঁর বন্ধু রাজনের সঙ্গে দেখা হয়। এরপর তাঁরা শহরের বিভিন্ন জায়গায় ঘোরাফেরা করেন। বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা হয়। তরুণীকে আজহারুল তাঁর বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে দনাইল গ্রামে একটি ভুট্টাখেতে নিয়ে রাতে একাধিকবার তাঁকে ধর্ষণ করেন। এতে সহায়তা করেন রাজন। পরদিন সকাল ছয়টার দিকে তরুণীকে এলাকার রাস্তায় ফেলে আজহারুল ও রাজন পালিয়ে যান।
.png)
তরুণী বিষয়টি এলাকাবাসীকে জানান। এলাকাবাসীর সহায়তায় ৬ এপ্রিল রাতে তরুণী বাদী হয়ে কিশোরগঞ্জ সদর মডেল থানায় আজহারুল ও রাজনকে আসামি করে মামলা করেন।
কিশোরগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ দাউদ বলেন, মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে থানার এসআই চন্দন কুমার পালকে। তবে আসামি দুজন গা ঢাকা দেওয়ায় এখনো গ্রেফতার করা যায়নি। তাদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত আছে।