ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

ঠাকুরগাঁওয়ে হত্যা মামলায় ৫ জনের যাবজ্জীবন

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৬:২৬, ১৯ এপ্রিল ২০২২
ঠাকুরগাঁওয়ে হত্যা মামলায় ৫ জনের যাবজ্জীবন
আসামিদের কারাগারে পাঠায় আদালত-ছবি ডেইলি বাংলাদেশ

ঠাকুরগাঁওয়ে চাঞ্চল্যকর মোজাম্মেল হত্যাকাণ্ডে পাঁচজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও তিনজনকে বেকসুর খালাস দিয়েছে আদালত। মঙ্গলবার দুপুরে  জেলা দায়রা জজ আদালতের বিচারক গাজী দেলোয়ার হোসেন এই রায় দেন। 

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন  আব্দুল জলিল, ইউনুস আলী,  কফিল উদ্দিন, নজরুল ইসলাম ও সেকেন্দার আলী । এর মধ্যে নজরুল ইসলাম ও সেকেন্দার আলী পলাতক রয়েছে। তারা প্রত্যেকে বালীয়াডাঙ্গী উপজেলার বাসিন্দা। 

২০১০ সালে বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার শাহবাজপুর গ্রামে মাথাবিহীন একটি লাশ পাওয়া যায়। তারই সূত্র ধরে তদন্ত করে এসআই  ফরহাদ আলী আটজনকে আসামি করে মামলার চার্জশিট দাখিল করেন। পরবর্তীতে সিআইডি তদন্ত করে ও আটককৃতরা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। এ মামলায় ১৮ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।

Advertisement

মামলার বরাত দিয়ে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আব্দুল হামিদ বলেন, ২০১০ সালে ভুট্টাক্ষেতে একটি মাথাবিহীন মরদেহ পাওয়া যায়। এ ঘটনায় একটি মামলা করেন বালিয়াডাঙ্গী থানার তৎকালীন উপপরিদর্শক (এসআই) আতিকুল ইসলাম। মামলার তদন্তভার একই থানার আরেক এসআই আতিকুল ইসলামকে দেওয়া হয়। তিনি সন্দেহভাজন একজনকে গ্রেফতার করেন। ওই ব্যক্তির দেওয়া তথ্যে একটি ইটভাটা থেকে মাথার খুলি উদ্ধার করা হয়।

 

পুলিশের তদন্তের পর সিআইডি থেকেও এ মামলার তদন্ত হয়। পরে আটজনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দেওয়া হয়। তদন্তকালে ১৬৪ ধারায় মোজাম্মেলকে হত্যার কথা স্বীকার করেন আসামি ইউনুস আলী, আব্দুল জলিল ও কফিল উদ্দীন।

আব্দুল হামিদ আরো বলেন, মোজাম্মেল বালিয়াডাঙ্গীর একটি ইটভাটায় শ্রমিক হিসবে কাজ করতেন। সেখানে শ্রমিকদের একজন স্বপ্ন দেখেন ইটভাটায় মাথা পোড়ালে ইটের রঙ লাল হবে। এ কথা ওই শ্রমিক মালিককে জানান।

কয়েকদিন পরে এক রাতে সিনেমা দেখতে যান সব শ্রমিক৷ ফেরার পথে গভীর রাতে পরিকল্পিতভাবে মোজাম্মেলকে গলা কাটেন আসামিরা৷ পরে সে মাথা ইটভাটায় পোড়ান তারা।

আইনজীবী বলেন, মোজাম্মেলকে হত্যা করতে ভাটা মালিকের সঙ্গে দুই লাখ টাকার চুক্তি হয়। অগ্রিম ৪০ হাজার টাকা নিয়ে তাকে হত্যা করেন সাজা পাওয়া আসামিরা। হত্যা মামলায় মোট ১৮ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য নেয়া হয়েছে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!