শনিবার (২২ এপ্রিল) সরেজমিনে গিয়ে এ তথ্য জানা যায়। তবে হাসপাতালের কক্ষের মেঝে ও বারান্দায় রোগী রেখে দেওয়া হচ্ছে চিকিৎসাসেবা।
সদর হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে রোগী ভর্তি হয়েছে ১৫৭ জন। এ সময় সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ১০৫ জন। এপ্রিল মাসে এ হাসপাতালে ডায়রিয়া আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা নিয়েছে ৭৯২ জন। এরমধ্যে গত এক সপ্তাহে রোগীর চাপ ছিল সবচেয়ে বেশি, চিকিৎসা নিয়েছে ৪৬০ জন। এ সময় ছাড়পত্র নিয়ে সুস্থ হয়ে বাড়িতে ফিরেছে ৩৯৪ জন। এ মাসে সবচেয়ে বেশি রোগী ভর্তি হয়েছে গতকাল শুক্রবার ও গত বৃহস্পতিবার। যা যথাক্রমে ১০৫ ও ১০৩ জন ছিল। আর সুস্থ হয়ে বাড়িতে ফিরেছেন গতকাল শুক্রবার ১০৫ জন ও গত বৃহস্পতিবার ৭২ জন।
.png)
এদিকে গত বৃহস্পতিবার ৬ হাজার স্যালাইন নতুন করে আনা হয়েছে। আগের স্যালাইন মিলে বর্তমানে ৭ হাজার স্যালাইন মজুত রয়েছে।
ফরিদপুর সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা গণেশ কুমার আগরওয়ালা বলেন, ফরিদপুরে আবারও ডায়রিয়া রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। তবে ডায়রিয়া ওয়ার্ডে জায়গা না হওয়ায় জরুরি ভিত্তিতে পুরুষ সার্জারি ওয়ার্ডের ১৫টি শয্যায় রোগীদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, বর্তমানে হাসপাতালে যে পরিমাণ স্যালাইন মজুত রয়েছে। তা দিয়ে আগামী ৭ দিন পরিস্থিতি সামাল দিতে বেগ পেতে হবে না। তবে অবস্থার আরও অবনতি ঘটলে সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে।