শুক্রবার ভোরে ঐ উপজেলার ভাতছালা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। রোববার ফেসবুকে ভিডিও ভাইরাল হলে অভিযুক্তদের গ্রেফতারে অভিযান শুরু করে পুলিশ।
নির্যাতনের শিকার সুমন মিয়া একই উপজেলার ২নং পালশা ইউনিয়নের ছয়ঘট্টি-বেলওয়া গ্রামের লতিফ মিয়ার ছেলে। ঘটনার পর পরই তাকে গুরুতর অবস্থায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে পরিবারের লোকজন। পরে শনিবার রাতে থানায় অভিযোগ করেন সুমনের বড় ভাই সাইফুল ইসলাম।
.png)
সুমনের পরিবারের দেওয়া তথ্য এবং ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যায়, ভাতছালা গ্রামের হামিদ মিয়ার ছেলে শাহারুল ইসলাম-মোস্তাফিজুর ও তাঁতিপাড়া-বেলওয়া গ্রামের নুরু মিয়ার ছেলে ফারাজ আলী বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী সুমনকে একটি গাছের সঙ্গে রশি দিয়ে দুই হাত বেঁধে লাঠি ও হাত দিয়ে নির্যাতন করছে।
ঘোড়াঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসকরা জানান, সুমনের পুরো শরীরে মারধরের অনেক ক্ষত রয়েছে। এছাড়া বাম চোখের নিচে গুরুতর আঘাত পেয়েছে সে। বর্তমানে সুমন শঙ্কামুক্ত।
নির্যাতনের শিকার সুমনের বড় ভাই সাইফুল ইসলাম বলেন, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ছোট মাছ ধরার জাল নিয়ে জমিতে টাঙিয়ে দিয়ে আসে আমার ছোট ভাই সুমন। শুক্রবার ভোরে আমার মোবাইলের আলো জ্বালিয়ে সে জমিতে যায় জাল থেকে মাছ নিয়ে আসতে। সেই সময় অভিযুক্তরা তাদের মাছ ধরার খোলসানী থেকে মাছ চুরির মিথ্যা অভিযোগে আমার ভাইকে গাছে বেঁধে নির্যাতন করে।
ঘোড়াঘাট থানার ওসি আবু হাসান কবির বলেন, শনিবার রাতে সুমনের পরিবারের পক্ষ থেকে একটি অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। অভিযুক্তদের ধরতে অভিযান চলছে। এছাড়া তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।