গত ২৬ এপ্রিল সকালে শহরের গাড়িখানা রোডস্থ আলাউদ্দিন টাওয়ারের চপিস্টিক নামক রেস্টুরেন্ট থেকে তাদের আটক করা হয়। এই ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে ভুক্তভোগী কিশোরের বাবা হাফিজুর রহমান কোতয়ালি থানায় মামলা করেছেন।
আসামি ইমরান হোসেন ভালু বৃহস্পতিবার আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। সে শহরের বেজপাড়া ছাদেক দারোগার মোড় মাঠপাড়ার আইয়ুব শেখ ওরফে আইয়ুব মিস্ত্রির ছেলে। আটক অপরজন হলো চাঁচড়া রায়পাড়া রবিউল ইসলামের ছেলে জিসান।
.png)
যশোর হোমিওপ্যাথি কলেজের অধ্যক্ষ হাফিজুর রহমান মামলায় উল্লেখ করেন, তার ছেলে আব্দুল্লাহ আল নাহিন যশোর টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার (টিটিসি)তে দশম শ্রেণিতে লেখাপড়া করে। ৫ থেকে ৬ মাস আগে আসামিদের সঙ্গে নাহিনের দেখা হয়। এ সময় তাকে টিকটক করার প্রলোভন দেখায়। এক পর্যায়ে নাহিনের হাতে চাকু ও মাদক দিয়ে ছবি এবং ভিডিও ধারণ করে। এরপর ওই ছবি ও ভিডিও দেখিয়ে তার পরিবারের কাছে চাঁদা দাবি করে। কয়েক দফা চাঁদার টাকা নিয়েছে তারা। সর্বশেষ গত ২৬ এপ্রিল সকালে কোচিং থেকে পুলেরহাটের বাড়ি ফেরার পথে চাঁচড়া শিব মন্দিরের কাছে দেখা হলে ওই ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছেড়ে দেয়ার ভয় দেখিয়ে চাঁদা দাবি করে। বিষয়টি নাহিন তার বাবাকে জানায়। নাহিনের বাবা এই ঘটনা ডিবি পুলিশকে অবহিত করে।
ডিবি পুলিশ ২৭ এপ্রিল শহরের গাড়িখানা রোডস্থ আলাউদ্দিন টাওয়ারের অবস্থিত চপিস্টিক নামক রেস্টুরেন্ট থেকে চাঁদার টাকা নিয়ে যেতে বলে। ওই সময় টাকা আনতে গিয়ে জিসান পুলিশের হাতে আটক হয়। পরে জিসানের স্বীকারোক্তিতে ইমরান হোসেন ভালুকে আটক করা হয়। এই ঘটনায় ২৬ এপ্রিল নাহিনের বাবা হাফিজুর রহমান কোতয়ালি থানায় মামলা করেন।
পুলিশ বৃহস্পতিবার দুই আসামিকেই আদালতে সোপর্দ করে। এ সময় ভালু জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মঞ্জুরুল ইসলামের আদালতে স্বীকরোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে এবং ঘটনার সত্যতা আদালতকে জানিয়েছে।