গৃহবধূকে মোবাইলে কুপ্রস্তাব, সাড়া না দেওয়ায় সংঘবদ্ধ ধর্ষণ
পিরোজপুর সদর উপজেলায় বাবার বাড়ি থেকে অস্ত্রের মুখে তুলে নিয়ে এক গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। অসুস্থ অবস্থায় পরিবার গৃহবধূকে উদ্ধার করে পিরোজপুর জেলা হাসপাতালে ভর্তি করেছে। শুক্রবার রাতে জেলার সদর উপজেলায় এ ঘটনা ঘটে। পিরোজপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আ জা মো. মাসুদুজ্জামান এ তথ্য জানান।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন গৃহবধূ জানান, তার স্বামী ঢাকায় চাকরি করার কারণে তিনি তার বাবার বাড়ি সদর উপজেলার একটি গ্রামে বসবাস করেন। তাকে সদর উপজেলার কুমিরমারা-বেকুটিয়া ফেরিঘাট এলাকার যুবক মাঈনুল বেশ কিছু দিন ধরে মোবাইল ফোনে ও সরাসরি বিভিন্নভাবে কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন। এতে রাজি না হওয়ায় তিনি ক্ষিপ্ত হন।
শুক্রবার রাতে ভুক্তভোগী তার বাবার ঘর থেকে বের হতে দরজা খুললে মাঈনুলসহ আরো কয়েকজন জোর করে ঘরে ঢুকে অস্ত্র ঠেকিয়ে তাকে তুলে নিয়ে যান। পরে পার্শ্ববর্তী একটি বাগানে নিয়ে তাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করলে তিনি অজ্ঞান হয়ে যান।
.png)
গৃহবধূ আরো জানান, পরে ভোরে তার জ্ঞান ফিরে এলে চিৎকার ও কান্না করলে পরিবারের লোকজন তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়।
পিরোজপুর সদর থানার ওসি জানান, খবর পেয়ে ধর্ষণের শিকার গৃহবধূকে চিকিৎসা ও ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য পিরোজপুর জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ বিষয়ে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।