দিশাবন্দ গ্রামের কৃষক মো. আব্দুল মজিদ বলেন, আমি গত কয়েক বছরের চেয়ে এ বছর বেশি জমিতে বোরো ধান চাষ করেছি। আমার তিন একর জমিতে প্রায় ৩০০ মণ ধান হবে। বর্তমান সরকার কৃষক বান্ধব সরকার। কৃষকদের প্রতি নজর দিয়েছে। তাই কৃষকরা ধান চাষের প্রতি গুরুত্ব দিয়েছে। আগামীতে আরো বেশি করে বোরো ধানের চাষ করব, ইনশাআল্লাহ।
লৎসর গ্রামের কৃষক কামরুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশ কৃষি প্রধান দেশ। অধিকাংশ মানুষ কৃষির উপর নির্ভরশীল। এ বছর আমি দুই একর জমিতে বোরো ধান চাষ করেছি। আশা করি ভালো লাভবান হবো। সরকার এখন ধানের মূল্য নির্ধারণ করে দিয়েছে। এর ফলে কৃষকরা এখন কৃষির উপর অনেক গুরুত্ব দিচ্ছে।
.png)
সরসপুর ইউনিয়নের মনিরুজ্জামানের ছেলে তরুণ কৃষক জাকির হোসেন বলেন, বাংলাদেশের মানুষ একমাত্র একটি ফসলের উপর বেশি গুরুত্ব দিয়ে থাকে, সেটা হলো বোরো ধানের চাষ। প্রতি বছরের মতো এ বছর অনেক বেশি বোরো ধানের চাষ করেছি। আমার ৫ একর জমিতে ৬০০ মণ ধান হবে বলে আশা করছি।
এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি অফিসার সুজন কুমার ভৌমিক জানান, মনোহরগঞ্জে কৃষি প্রণোদনা ও পুনর্বাসন কর্মসূচির আওতায় ৩ হাজার ৫০০ জন কৃষকের মধ্যে ২ কেজি করে হাইব্রিড বোরো ধানের বীজ দেওয়া হয়েছে। আশা করি আমাদের পরামর্শ অনুযায়ী কৃষক এ হাইব্রিড বোরো ধানের চাষাবাদ করে লাভবান হবেন।