এ এলাকার সবচেয়ে বড় পাইকারি ও খুচরা বাজার হলো নামা বাজার। এ বাজারে তেল বিক্রির গলিতে দেখা গেছে, সয়াবিনের পাশাপাশি অনেক দোকানি সরিষার তেল বিক্রি করছেন। এখানে দুই ধরনের সরিষা তেল পাওয়া যাচ্ছে। একটি মেশিনে ভাঙানো তেল। লিটার প্রতি বিক্রি হচ্ছে ২২০ থেকে ২৩০ টাকায়। অপরদিকে ঘানি ভাঙা সরিষা তেল প্রতি লিটার বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৩২০ টাকায়।
আশুলিয়ার আখতার হোসেন বলেন, সয়াবিন তেল আর সরিষা তেলের দাম এখন প্রায় কাছাকাছি। সয়াবিন তেলের তুলনায় সরিষার তেল স্বাস্থ্যসম্মত, রান্নায় লাগেও কম। ফলে আগের চেয়ে সরিষার তেল পরিমাণে বেশি কিনেছি।
.png)
নামা বাজারের পাইকারি তেল বিক্রেতা মেসার্স আসাদ এন্টারপ্রাইজের মালিক আসাদুজ্জমান মাসুম বলেন, আগে নামা বাজার থেকে এক থেকে দেড় লিটার সরিষার তেল বিক্রি হতো। এখন পাইকারিভাবে প্রতিদিন প্রায় ৪ হাজার লিটার তেল বিক্রি হচ্ছে। দেশে সরিষার উৎপাদন বাড়লে তেলের দাম কমে আসবে। যেহেতু সরিষার তেলের চাহিদা বেশি। উৎপাদন বাড়াতে পারলে দেশের জন্যও ভালো হবে।
সাভার দক্ষিণ বাজারের মেসার্স ইলিম অয়েল মিলসের মালিক মোহম্মদ আলী বলেন, আমাদের দেশে বছরে ভোজ্য তেলের চাহিদা রয়েছে ৩০ লাখ টন। এর মধ্যে সরিষার তেল হয় ৫ লাখ টন। বাকি ২৫ লাখ টন আমদানি করতে হয়। বর্তমানে সাভার বাজারে প্রায় ৩০টি অয়েল মিল ও তেলের প্রায় ১৫টি পাইকারি দোকান রয়েছে।
সাভার গণস্বাস্থ্য হাসপাতালের কমিউনিটি মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক সৈয়দ আবুল্লাহ আল নাহিদ বলেন, সয়াবিন তেলের তুলনায় সরিষার তেল স্বাস্থ্যসম্মত। এতে শরীরে গ্যাস্ট্রিকের জটিলতা ও রক্তে চর্বি কম হওয়ার সম্ভবনা থাকে।