রোববার বিকেল ৪টার দিকে উপজেলার লাউতলী গ্রামের নাজির আলীর বাড়ি থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। নিহত তানজিনা একই বাড়ির ওমান প্রবাসী ইয়াছিন মাহমুদ রুবেলের স্ত্রী।
তানজিনার বাবার বাড়ি জেলার সেনবাগ উপজেলার কাবিলপুর ইউনিয়ন ডোমনা কান্দি গ্রামে। তার বাবার নাম সাকায়েত উল্লাহ খান। তানজিনার সংসারে পাঁচ ও দুই বছর বয়সী দুই সন্তান রয়েছে।
.png)
নিহতের স্বজনরা জানান, জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল তানজিনার শ্বশুরের পরিবারে। এ নিয়ে প্রায়ই তানজিনাকে মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন করতেন শ্বশুরবাড়ির লোকজন। এছাড়া ভাইয়ের সংসারে খবরদারি করতেন ননদ। রোববার তানজিনাকে হত্যা করে শ্বশুরবাড়ির লোকজনই সিলিং ফ্যানের সঙ্গে লাশ ঝুলিয়ে রাখেন।
তানজিনার শাশুড়ি মনোজা খাতুন জানান, রোববার বেলা ১১টার দিকে সবার অজান্তে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন তানজিনা। পরে লাশ ঝুলতে দেখে পুলিশে খবর দেওয়া হয়।
বেগমগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শফিকুল ইসলাম জানান, সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে লাশটি নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। পারিবারিক কলহের জেরে এ ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এটি হত্যা না আত্মহত্যা তা এখনো বলা যাচ্ছে না।