বুধবার দুপুরে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ-৩ আদালতের বিচারক এসএম রেজাউল বারী এ রায় ঘোষণা করেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- ফুলবাড়ী উপজেলার দক্ষিণ সুজাপুর গ্রামের সাধনানন্দ চৌধুরীর দ্বিতীয় স্ত্রী ৪০ বছরের প্রতিমা রানী চৌধুরী, ২২ বছরের আকাশ চৌধুরী ও কাটাবাড়ী গ্রামের কার্তিক চন্দ্র মহন্তের ছেলে ২৭ বছরের কাজল মহন্ত।
.png)
এছাড়া ৫৮ বছর বয়সী সাধনা নন্দ চৌধুরীকে আমৃত্যু কারাদণ্ড ও চকচকা গ্রামের রবীন্দ্রনাথ দাশের ছেলে ২৮ বছরের জীবন চন্দ্র দাসকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
মামলার বিবরণ দিয়ে আদালতের পিপি রবিউল ইসলাম বলেন, প্রথম স্ত্রী তপতী রানী থাকতেই ২০১৪ সালে প্রতিমা রানী চৌধুরীকে বিয়ে করেন সাধনানন্দ চৌধুরী। এরপর থেকেই তপতী রানী চৌধুরীকে আলাদা করে রাখতেন। ভরণপোষণও দিতেন না। এ নিয়ে প্রায়ই তাদের ঝগড়া হতো।
২০১৭ সালের ৬ এপ্রিল রাত ৯টার দিকে স্বামী, সতিন ও সতিনের ছেলেসহ পাঁচজন মিলে তপতী রানীর ওপর শারীরিক নির্যাতন করেন। একপর্যায়ে তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করেন। পরে মরদেহ উত্তর কৃষ্ণপুর গ্রামের একটি বাঁশবাগানে নিয়ে আগুন ধরিয়ে দেন।
এ ঘটনায় ফুলবাড়ী থানায় একটি মামলা করেন নিহত নারীর ছেলে শুভ নন্দ চৌধুরী। পরে তদন্ত করে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ। মামলার চার আসামি ১৬৪ ধারায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। পরে ২২ জনের সাক্ষ্য নেয় আদালত। সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে বুধবার তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড এবং একজনকে আমৃত্যু ও একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয় আদালত।