অপরদিকে ওই দিন মধ্যরাতে বাঘারপাড়া উপজেলার পাইকপাড়ায় চোখ উপড়ে ও পুরুষাঙ্গ কেটে নকিম উদ্দিন নামে এক শ্রমিককে হত্যা করা হয়েছে।
যশোর কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি তাজুল ইসলাম জানিয়েছেন, নিহত আফজাল হোসেন ওই এলাকার কবিরের বাড়ির বাড়াটিয়া সোলায়মান হোসেন ওরফে সলেমানের ছেলে। কয়েকদিন আগে আফজাল জেল থেকে মুক্তি পায়। তার বিরুদ্ধেও এক ডজন মামলা রয়েছে। পূর্ব আক্রোশের জের ধরে সন্ত্রাসী ট্যারা সুজনের নেতৃত্বে হামলা চালিয়ে তাকে খুন করা হয় বলে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হওয়া গেছে।
.png)
আরো পড়ুন >>> এক এক করে পানিতে তলিয়ে গেল ৩ শিশু, গ্রামজুড়ে শোকের ছায়া
নিহতের বাবা সলেমান জানিয়েছেন, কিছুদিন আগে নাজির শংকরপুর কোল্ড স্টোর মোড়ের সুজন ওরফে ট্যারা সুজনের সঙ্গে আফজালের বিরোধ হয়। আফজালের হাতে মারপিটের শিকার হয় সুজন। সেই থেকে প্রতিশোধ নিতে সুজনের নেতৃত্বে তার সহযোগিরা আফজালকে কুপিয়ে হত্যা করেছে। ট্যারা সুজনের নামেও একাধিক মামলা আছে।
এদিকে বাঘারপাড়া থানার অফিসার ইনর্চাজ (ওসি) ফিরোজ উদ্দিন জানান, গত ২৬ মে উপজেলার ছাতিয়ানতলা বাজার থেকে ধান কাটার জন্য নকিম উদ্দিনসহ তিনজন শ্রমিক ভাড়া করে নিয়ে আসেন বেনজির আহম্মেদ। এরমধ্যে একজন রোববার বিকেলে চলে যান। বাকি দুইজন শ্রমিক রাতে খাওয়া-দাওয়া শেষ করে কৃষক বেনজিরের বাড়ির এককক্ষে ঘুমিয়ে পড়েন।
আরো পড়ুন >>> ধর্ষণের ভিডিও ধারণ করে বারবার ছাত্রীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হওয়া সেই প্রভাষকের ফাঁসির দাবি
সকাল ৬ টার দিকে ওই দুই শ্রমিককে ঘুম থেকে ডেকে তুলতে বেনজির ঘরের দরজা খোলা দেখতে পান। পরে ঘরের বেতরে যেয়ে দেখেন চোখ উপড়ানো ও পুরুষাঙ্গ কাটা নকিম উদ্দিন পড়ে আছে। অপরজন পালিয়ে গেছেন। হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। জড়িতদের আটকের চেষ্টা চলছে।