নবীন বিশ্বাস নড়াইল জেলার কালিয়া থানার হররীয়া গ্রামের নারায়ন চন্দ্র বিশ্বাসের ছেলে।
প্রগতি মানসিক রোগ ও মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রের রিসেপশন অফিসার মেহেনাজ বলেন, সকাল সাড়ে ৮টার দিকে সবাইকে খাওয়ার জন্য ডাকা হয়েছিল। নবীন বিশ্বাস তখন দাঁত ব্রাশ করে বারান্দায় এসে দাঁড়ায়। আমরা রোগীদের জন্য খাবার পরিবেশনের ব্যবস্থা করতে ছিলাম। নবীন বিশ্বাস বারান্দার গ্রিলের সঙ্গে গলায় গামছা পেঁচিয়ে ঝুলে পড়ে। পরে তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত্য ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে তার বাবা মা এসেছেন। প্রগতি মানসিক রোগ ও মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক ও পরিচালকরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গেছেন।
.png)
মাদক নিরাময় কেন্দ্রের সাব অ্যাসিসট্যান্ট মেডিকেল কমিউনিটি অফিসার তন্ময় বিশ্বাস বলেন, সকালে খাবার দেওয়ার সময়ে দেখা যায়, নবীন বিশ্বাস গলায় গামছা পেচানো অবস্থায় জানালার গ্রিলে ঝুলে আছে। পরে তাকে আমরা সেখান থেকে নামাই। তখন সে অজ্ঞান ছিল। তখন চিকিৎসার জন্য তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে পৌঁছালে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন।
তিনি বলেন, নবীন বিশ্বাস মাদাকাসক্ত ছিল। গত ২৪ মে তাকে চিকিৎসার জন্য এখানে ভর্তি করা হয়েছিল। দুপুরে তার পরিবারের লোকেরা এখানে আসতে চেয়েছিল।
খুলনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান আল মামুন বলেন, কোনো ব্যক্তি আত্মহত্যা করলে সেখানে স্বাভাবিক মলমূত্র পাওয়া যায়। তবে মাদক নিরাময় কেন্দ্রে কিছু পাওয়া যায়নি। তাই নবীন বিশ্বাস আত্মহত্যা করেছি কি-না তা আমরা নিশ্চিত নয়।