নিহতের নাম রুহুল তালুকদার। ২৬ বছর বয়সী রুহুল একই ইউনিয়নের ছয়না গ্রামের সাহেদ তালুকদারের ছেলে। অভিযুক্ত পাখি আক্তার করদী গ্রামের আনিস শিকদারের মেয়ে।
স্বজনরা জানান, আট বছর আগে ভালোবেসে পাখিকে বিয়ে করেন রুহুল। বিয়ের পরপরই মোবাইল ফোনের মাধ্যমে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন পাখি। এ নিয়ে এলাকায় বেশ কয়েকবার সালিশ করেও ব্যর্থ হন গণ্যমান্যরা। মাসখানেক আগে স্বামীর সঙ্গে ঝগড়া করে বাবার বাড়ি চলে যান পাখি। মঙ্গলবার রাতে মোবাইল ফোনে রুহুলকে শ্বশুরবাড়িতে ডেকে নেয়া হয়। সেখানে তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করেও পাখি ও তার পরিবারের লোকজন। হত্যার পর আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দিতে লাশ হাসপাতালে ফেলে রেখে পালিয়ে যান অভিযুক্তরা।
.png)
নিহতের ভাগ্নে সোহরাব তালুকদার বলেন, আমার মামাকে ডেকে নিয়ে হত্যা করা হয়েছে। ঘটনার পর সবাই পালিয়ে গেছেন। অথচ আমাদের বলছে- এটি আত্মহত্যার ঘটনা। ডেকে নিয়ে আমার মামাকে হত্যা করেছে। আমরা এ ঘটনার বিচার চাই।
মাদারীপুর সদর থানার ওসি মো. মনোয়ার হোসেন চৌধুরী বলেন, রুহুলের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।