নিহত শিক্ষার্থী সাতক্ষীরা শহরের নবারুন বালিকা বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থী ছিল।
কাটিয়া পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক মিজানুর রহমান জানান, গত ৩ মে সাতক্ষীরা শহরতলীর ইটাগাছার বনলতা হাউজিং কমপ্লেক্স এলাকায় ও ৭ মে নিজ বাড়ির পেছনে ঐ শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ করে শ্যামনগর উপজেলার হৃদয় হোসেন নামে এক যুবক। ঐ ঘটনায় ভুক্তভোগীর বাবা ৯ মে সাতক্ষীরা সদর থানায় হৃদয় হোসেন ও দুই নারীর নাম উলেখ করে মামলা করেন। ঘটনাস্থলে গিয়ে ও অভিযুক্ত কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের সঙ্গে অভিযোগের গরমিল পাওয়া যায়। ১০ মে সাতক্ষীরার বিচারিক হাকিম ইয়াসমিন নাহারের কাছে জবানবন্দি দেয় ধর্ষণের শিকার শিক্ষার্থী। একইদিন সদর হাসপাতালে তার ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়।
.png)
তিনি আরো জানান, মামলার পর থেকেই ঐ শিক্ষার্থী বিমর্ষ ছিল। মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে তার চাচার ঘর থেকে ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়। এর আগে, ৭ মে পুলিশ ঐ ছাত্রীর লেখা একটি চিঠি উদ্ধার করে। চিঠিতে নিজেকে দুইমাসের অন্তঃস্বত্তা বলে উলেখ করে সে।
সাতক্ষীরা সদর থানার ওসি মো. গোলাম কবীর জানান, লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের বাবা মঙ্গলবার রাতে অপমৃত্যু মামলা করেছেন। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।