গ্রেফতারকৃতরা হলো- কথিত প্রেমিকা আকলিমা আক্তার রুমি, বেগমগঞ্জ উপজেলার নরোত্তমপুরের সেলিম মিয়ার ছেলে শান্ত, ইসহাক মিয়ার ছেলে রায়হান, মাহবুবুর রহমানের ছেলে মেহেদী হাসান। শনিবার বিকেলে তাদের বিচারিক আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
এর আগে, শুক্রবার বিকেলে সোনাইমুড়ী-চাটখিল হাইওয়ে সংলগ্ন এলাকায় হত্যাচেষ্টার ঘটনা ঘটে।
.png)
পুলিশ সূত্র জানায়, ১ মাস আগে লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ পৌরসভার আমির হোসেনের মেয়ে আকলিমা আক্তার রুমির সঙ্গে মোবাইলে পরিচয় হয় বেগমগঞ্জ উপজেলার নরোত্তমপুরের নুরুল ইসলাম মিয়ার ছেলে মো. সুমনের। পরিচয়ের সূত্র ধরে তাদের একাধিকবার মোবাইলে কথা হয়। শুক্রবার বিকেলে সুমনকে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে সোনাইমুড়ীতে যেতে বলে রুমি। সুমন ঐদিন বিকেল ৫টার দিকে বন্ধু মো. ইয়াছিনকে সঙ্গে নিয়ে ঐ এলাকায় যায়। সেখানে শান্ত, রায়হান, মেহেদী ও রুমিসহ তাদের সাঙ্গপাঙ্গরা সুমনকে আটক করে বেধড়ক মারধর করে। ঐ সময় সুমন মাটিতে লুটিয়ে পড়লে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে তার দুই পায়ে মারাত্মক জখম করে।
আরো জানা গেছে, হাতুড়িপেটার পর ছুরি দিয়ে সুমনকে গলা কেটে হত্যা করতে চাইলে তার চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে সুমনের কথিত প্রেমিকা রুমিসহ চারজনকে আটক করে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তাদের থানায় নিয়ে যায় ও রক্তাক্ত অবস্থায় সুমনকে উদ্ধার করে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠায়।
সোনাইমুড়ী থানার ওসি হারুন অর রশিদ জানান, ভুক্তভোগী সুমনের বড় ভাই নুর হোসেন একটি হত্যাচেষ্টা মামলা করেছেন। ঐ মামলায় আসামিদের গ্রেফতার দেখিয়ে নোয়াখালী চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হলে বিচারক তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।