এ বিষয়ে র্যাব-১৪ সহকারী পরিচালক (স্কোয়াড কমান্ডার) মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, ধর্ষণের শিকার তরুণী বাকপ্রতিবন্ধী। গত জানুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহে ওই বাকপ্রতিবন্ধী তরুণীকে নিজ বাড়িতে একা পেয়ে ধর্ষণ করেন বখাটে জহিরুল ইসলাম। তবে মেয়েটি কথা বলতে না পারায় তার পরিবারকে বিষয়টি জানাতে পারেননি। এভাবেই ঘটনাটি চাপা পড়ে যায়।
সম্প্রতি ওই তরুণী জন্ডিসে আক্রান্ত হন। কবিরাজি ওষুধ খাওয়ানোর পর তার জন্ডিস ভালো হয়। তবে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে ২০ মে ডাক্তার দেখাতে যান। ডাক্তার আল্ট্রাসনোগ্রাফি করানোর পরামর্শ দেন। পরে আল্ট্রাসনোগ্রাফি করানোর পর তার অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার বিষয়টি জানতে পারে পরিবার।
.png)
তিনি আরো বলেন, এই প্রতিবন্ধীকে ধর্ষণের জন্য কে দায়ী তা জানা ছিল না। এমতাবস্থায় এলাকার কিছু বখাটে ছেলের ছবি দেখালে তিনি জহিরুল ইসলামকে ধর্ষক হিসেবে চিহ্নিত করেন ধর্ষিতা। বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হলে জহিরুল এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যান।
এই ঘটনার পর গত ২৭ মে রাতে ওই বাকপ্রতিবন্ধী তরুণীর মা বাদী হয়ে জহিরুল ইসলামকে আসামি করে থানায় ধর্ষণ মামলা করেন। মামলার পর তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান চালিয়ে রোববার রাত সাড়ে ১১ টার দিকে গাজীপুর জেলার শ্রীপুরের কাউরাইদ এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয় জহিরুলকে।
গ্রেফতার জহিরুল প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ধর্ষণের ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে বলে জানায় র্যাব।