ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

ময়মনসিংহে শতবর্ষী সারিন্দা প্রদর্শনী শুরু

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি 
প্রকাশিত: ২১:০৯, ১৮ মে ২০২২
ময়মনসিংহে শতবর্ষী সারিন্দা প্রদর্শনী শুরু
ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

আন্তর্জাতিক জাদুঘর দিবস উপলক্ষে ময়মনসিংহে শুরু হয়েছে তিন দিনব্যাপী শতবর্ষী সারিন্দা প্রদর্শনী। বুধবার বিকেলে নগরীর কাঁচিঝুলি রোডস্থ ব্যাপ্টিস্ট চার্চ ভবনের নিচ তলায় ‘এশিয়ান মিউজিক মিউজিয়াম’ গ্যালারি হলে শুরু হয়েছে এ প্রদর্শনী। 

এ আয়োজনের সঙ্গে রয়েছে পুঁথি পাঠ, বাউল বৈঠক, শিশুদের সংগীত ও যন্ত্রসংগীত। এই প্রদর্শনীতে স্থান পেয়েছে সংগ্রাহক রেজাউল করিম আসলামের সতের শতাব্দী থেকে উনিশ শতাব্দীর সংগ্রহীত ১২টি দুর্লভ সারিন্দা। এছাড়াও বিলুপ্ত ও চলমান ৬০০ বাদ্যযন্ত্র প্রদর্শনীতে থাকছে। 

প্রতিদিন দুপুর ১২ টা থেকে শুরু হয়ে রাত ৮ টা পর্যন্ত সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে প্রদর্শনী। আন্তর্জাতিক জাদুঘর দিবসের এই আয়োজনের সহোযোগিতায় রয়েছে নোভিস ফাউন্ডেশন ও ময়মনসিংহ বাউল সমিতি। 

Advertisement

বাদ্যযন্ত্র ও লোকজ সংস্কৃতি সংগ্রাহক রেজাউল করিম আসলাম বলেন, পাটগ্রাম, বুড়িমারি, কুড়িগ্রাম থেকে রহমান ফকিরের কাছ থেকে পাওয়া ৩৬৫ বছরের পুরোনো সারিন্দা। কালীররহাট, লালমনিরহাট, গুনধর বাবুর কাছ থেকে পাওয়া ৩০০ বছরের পুরানো সারিন্দাসহ বেশ কয়েকটি শতবর্ষী পুরোনো সারিন্দা প্রদর্শনীতে স্থান পেয়েছে। তিন পুরুষ ধরেই এই বাদ্যযন্ত্র ব্যবসার সঙ্গে বংশ পরম্পরায় জড়িত আমার পরিবার। 

তিনি আরো বলেন, ময়মনসিংহ শহরের বড় বাজারে রয়েছে ‘নবাব অ্যান্ড কোং’ নামে একটি বাদ্যযন্ত্রের দোকান। ১৯৪৪ সালে দাদা নবাব আলী বাদ্যযন্ত্রের ব্যবসা শুরু করেন। এরপর বাবা পরে আমি ব্যবসা করছি। ২০০৬ সাল থেকে শুরু করি বিরল বাদ্যযন্ত্র সংগ্রহ। অনেক সারিন্দা কারো রান্নাঘর, কারো গোয়ালঘর, কারো উগার বা সিলিং থেকে পাওয়া গেছে। যাদের কাছে থেকে পাওয়া গেছে তারা জানে না এর ঐতিহাসিক বা ঐতিহ্যগত মূল্য কতো। অনেক সারিন্দা চুলার লাকড়ী বা মাটিতে মিশে ফসিল হয়ে গেছে। এই প্রদর্শনী থেকে যদি কেউ জানতে পারে তাহলে আমাদের পুরতান সারিন্দা গুলো বিলুপ্ত হবে না, আর নতুন প্রজন্মের কাছে এই দেশীয় বাদ্যযন্ত্রটি নিয়ে আগ্রহ তৈরি হবে। 

ডেইলি-বাংলাদেশ/ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম
ট্যাগ: ময়মনসিংহ
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!