তিনি সিরাজগঞ্জ সদরের শিয়ালকোল ইউপির চণ্ডিদাসগাতি গ্রামের আব্দুল্লাহ সেখের ছেলে। তিন ভাই ও তিন বোনের মধ্যে বারি ছিলেন সবার ছোট। ঢাকায় একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা শেষে আব্দুল বারি প্রথমে যোগ দেন মোহনা টেলিভিশনে। এরপর গত বছরের ডিসেম্বরে জ্যেষ্ঠ প্রযোজনা নির্বাহী হিসেবে চাকরি নেন ডিবিসি নিউজে। থাকতেন ঢাকার একটি ব্যাচেলর মেসে। তাকে হত্যার সংবাদ গ্রামের বাড়িতে পৌঁছার পর নিহতের স্বজনরা কান্নায় ভেঙে পড়েন।
শান্ত প্রকৃতির যুবকটি কেন খুন হলেন―এ প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে সবার মাঝে।
.png)
নিহতের বড় ভাই আব্দুল আলিম বলেন, নিজ এলাকায় ছোট ভাই বারির কোনো শত্রু ছিল না। ঢাকায় থাকাকালে কারো সঙ্গে শত্রুতা তৈরি হয়েছিল কি না তা আমাদের জানা নেই। হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত রহস্য উদঘাটন করে দোষীদের শাস্তি দাবি করেন তিনি।
নিহতের মা আলেয়া খাতুন বলেন, ছেলের জন্য নতুন ঘর তুলেছি; ঈদের ছুটিতে বাড়ি এলে বিয়ে করাতে চেয়েছিলাম। কনেও পছন্দ করে রেখেছি। আমার সেই ছেলেকে কারা হত্যা করল! আমি ছেলে হত্যার বিচার চাই।