রোববার দুপুরে গ্রেফতারকৃত তোফাকে আদালতে সোর্পদ করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন কালীগঞ্জ থানার ওসি এটিএম গোলাম রসূল।
এর আগে শনিবার রাতে কালীগঞ্জ থানা পুলিশ উপজেলার দহগ্রাম এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে। তার বিরুদ্ধে কালীগঞ্জ থানায় একাধিক মাদক মামলা রয়েছে বলেও জানান তিনি।
.png)
গ্রেফতার তোফাজুল হোসেন উপজেলার দলগ্রাম শ্রীখাতা এলাকার মৃত আহম্মেদ হোসেনের ছেলে।
গত ১২ মে বৃহস্পতিবার জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার কাকিনা ইউপির সিরাজুল মার্কেট এলাকায় পুলিশের অভিযান চলাকালে হামলার ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, উপজেলার কাকিনা সিরাজুল মার্কেট এলাকায় মহিপুর-কাকিনা সড়কে পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গাড়ি তল্লাশি করে। এ সময় একটি গাড়ি কাকিনা থেকে রংপুরের দিকে যাচ্ছিল। গাড়িটি থামিয়ে পুলিশ তল্লাশি চালানোর চেষ্টা করলে গাড়ির চালক ও তার এক সহযোগী প্রাইভেটকার থেকে বের হয়ে চাকু মারা শুরু করে। এ সময় তাদের চাকুর আঘাতে কালিগঞ্জ থানার এএসআই মো. শাহজাহান এবং এএসআই মো. মমতাজ আহত হয়। স্থানীয়রা পুলিশকে সহায়তার জন্য এগিয়ে আসলে চর ইশোরকোল এলাকার রিয়াজুল ইসলামের ছেলে মো. মজমুল ইসলাম ও একই এলাকার আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে আব্দুল খালেক মাদক ব্যবসায়ীর ছুরিকাঘাতে আহত হয়। পরে ঘটনাস্থল থেকে গাড়ির চালক ও তার সহযোগী পালিয়ে যায়। আটক করা গাড়ি তল্লাশি করে ১৮০ বোতল ভারতীয় নিষিদ্ধ ফেনসিডিল উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় কালীগঞ্জ থানায় একটি মাদক নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হলে অভিযান চালিয়ে ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে তোফাজুলকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
পুলিশের দেওয়া তথ্য মতে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীর যোগসাজশ ও জড়িত থাকার প্রমাণ রয়েছে।
কালীগঞ্জ থানার ওসি এটিএম গোলাম রসূল বলেন, মাদক ব্যবসায়ী তোফাজুলকে গ্রেফতার করে আদালতে সোর্পদ করা হয়েছে।