নিহত আরিফ হোসেন মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলার কাকনা এলাকার শুকুর আলীর ছেলে। সে মানিকগঞ্জ সরকারি দেবেন্দ্র কলেজের (অনার্স) বাংলা বিভাগের প্রথম বর্ষের ছাত্র ছিল।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন মানিকগঞ্জের দৌলতপুরের কাকনা এলাকার মাইনুদ্দিনের ছেলে মো. লিংকন ও একই এলাকার স্বরুপ আলীর ছেলে আলতাফ হোসেন।
.png)
মামলার এজাহার ও আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০০৫ সালের ২৭ মার্চ রাত সাড়ে ৯টার দিকে কলেজছাত্র আরিফ হোসেনকে শত্রুতার জেরে হত্যা করে লাশ ছিলামপুর সেতুর নিচে কচুরিপানার ভেতরে লুকিয়ে রাখে। পরে আসামিদের চাপ দিলে তাদের কথাবার্তায় সন্দেহ হয়। ঘটনার দুইদিন পর পুলিশ ছিলামপুর সেতুর নিচ থেকে আরিফ হোসেনের লাশ উদ্ধার করেন। এ ঘটনায় নিহতের বাবা শুকুর আলী বাদী হয়ে লিংকন, আলতাফ, হাসান আলী, মঞ্জু, সহন, মাইনুদ্দিন, রাসেল, বাদল ও জিন্নাত আলীকে আসামি করে দৌলতপুর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলার পর আসামিদের গ্রেফতার করে পুলিশ। পুলিশের তদন্ত ও সিআইডির তদন্তের আসামিরা খালাস পায়। পরে ২০০৬ সালের ৩১ মে জুডিশিয়াল তদন্তের অভিযোগপত্র আদালতে দাখিল করা হয়।
মামলায় ১৯ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আসামি লিংকন ও আলতাফ দোষী প্রমাণিত হওয়ায় বিচারক তাদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং দোষ প্রমাণিত না হওয়ায় আসামি হাসান আলী, মঞ্জু, সহন, মাইনুদ্দিন, রাসেল ও বাদলকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়। মামলা চলাকালে অপর আসামি জিন্নাত আলী মারা যাওয়ায় মামলা থেকে তাকে বাদ দেওয়া হয়।
মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ছিলেন, অতিরিক্ত পিপি মথুরনাথ সরকার। অপর দিকে আসামি পক্ষের আইনজীবী ছিলেন আরিফ হোসেন লিটন এবং হুমায়ন কবির সেন্টু।