উপজেলার লালুয়া এবং চম্পাপুরে বেড়িবাঁধের ভাঙা অংশ দিয়ে পানি প্রবেশের ফলে এসব এলাকার প্রায় ৭ হাজার মানুষ এখন পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। তলিয়ে গেছে কয়েক’শ একর ফসলি জমি।

.png)
পানির উচ্চতা ২ থেকে ৩ ফুট বৃদ্ধি পাওয়ায় ভেসে গেছে একাধিক চাষিদের ঘের ও পুকুরের মাছ। এতে বড় ক্ষতির মুখে পড়েছেন কৃষকরা।
ভুক্তভোগী মানুষের দাবি, এসব এলাকায় বেড়িবাঁধ সংস্কার না হওয়ায় এমন ক্ষতির মুখে পড়েছেন তারা।