শনিবার পদ্মাসেতু উদ্বোধনকে কেন্দ্র করে জনমানুষের দৃষ্টি আকর্ষণে সেতুটি নির্মাণ করে জেলা প্রশাসন। সেতুটি দেখতে ভিড় করছেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। সেতুতে উঠে অনেকে সেলফিও তুলছেন। আবার অনেকে গোটা সেতুকে করছেন ক্যামেরাবন্দি।
জেলা প্রশাসন কার্যালয়ের তথ্যমতে, পদ্মাসেতুর উদ্বোধন উপলক্ষে শনিবার সকালে পুকুরের এ সেতুতে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়েছে। জেলা প্রশাসন ও পৌরসভার যৌথ এ আয়োজনে অনেক মানুষ অংশ নেবেন।
.png)
সেতু নির্মাণের দায়িত্বে থাকা গোবিন্দ ঘোষাল জানান, সেতুটি নির্মাণ করতে ২৪ জন মানুষের ছয়দিন সময় লেগেছে। শুক্রবার কাজ শেষ করে জেলা প্রশাসকের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এরপর সেখানে আলোকসজ্জা করা হয়েছে।
তিনি আরো জানান, বাঁশ ও কাঠ দিয়ে ১৯টি স্প্যানের ওপরে নির্মাণ করা সেতুর দৈর্ঘ্য প্রায় ৪০০ ফুট। পানি থেকে ছয় ফুট উপরে সেতুতে নির্মাণ করা হয়েছে নমুনা রেললাইন। উপরে দুই পাসে ২০টি ল্যাম্পপোস্ট বসানো হয়েছে। সেতুটি আলোকিত ও দৃষ্টিনন্দন করতে করা হয়েছে বিভিন্ন রঙের লাইটিং। এ নির্মাণে ৪৮৫টি বাঁশ, ৫০০ ঘনফুট কাঠ ও ১৫০টি প্লাইউড ব্যবহার করা হয়েছে।
সেতু দেখতে আসা শহরের মিঠাপুকুর পাড় এলাকার মাজহারুল ইসলাম বলেন, সময় ও সক্ষমতার অভাবে সরাসরি পদ্মার পাড়ে গিয়ে পদ্মাসেতু দেখতে পারিনি। কিন্তু কাঠের এ সেতু, এর নিচের পিলার ও রেললাইনের অংশ দেখে মনে হয় এ যেন হুবহু পদ্মাসেতু।
পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামাল হোসেন বলেন, পদ্মাসেতুর উদ্বোধনকে জেলাবাসীর কাছে স্মরণীয় করে রাখতে ব্যতিক্রম এ আয়োজন করা হয়েছে।