গ্রেফতারকৃত শিক্ষক রিপন মিয়া নবীনগর উপজেলার ছলিমগঞ্জ ইউনিয়নের বাড়াইল গ্রামের হোসেন মিয়ার ছেলে। তিনি একই ইউনিয়নের দিগন্ত প্রি-ক্যাডেট স্কুলের সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
জানা যায়, স্থানীয় অষ্টম শ্রেণি পড়ুয়া ঐ ছাত্রীর স্কুলে আসা যাওয়ার পথে প্রায়ই উত্ত্যক্তসহ প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন শিক্ষক রিপন মিয়া। বিষয়টি ঐ ছাত্রী পরিবারকে জানালে পরিবারের লোকজন ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা রিপন মিয়াকে একাধিকবার সর্তক করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে তিনি ঐ ছাত্রীকে অপহরণের পরিকল্পনা করেন।
.png)
শনিবার সকালে ঐ ছাত্রী বাড়ি থেকে স্কুলে যাওয়ার সময় পথে ওতপেতে থাকা রিপন মিয়া জোর করে তাকে সিএনজিতে তুলে নেয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় ঐ ছাত্রীর চিৎকারে আশেপাশের লোকজনসহ তার সহপাঠীরা এগিয়ে এসে বাধা দিলে তাকে ফেলে পালিয়ে যান রিপন মিয়া। এ ঘটনায় শনিবার রাতে ঐ শিক্ষকের বিরুদ্ধে থানায় মামলা হওয়ায় তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
দিগন্ত প্রি-ক্যাডেট স্কুলের প্রিন্সিপাল কাজী খলিলুর রহমান বলেন, এর আগেও রিপন মিয়ার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ ছিল। স্কুলছাত্রীকে অপহরণের ঘটনায় তাকে স্কুল থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে।
নবীনগর থানার ওসি মো. আমিনুর রশিদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনার পর শনিবার রাতে যৌন নিপীড়ন ও অপহরণের চেষ্টার অভিযোগ এনে ভুক্তভোগী ছাত্রীর মা ঐ শিক্ষককে আসামি করে থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় শনিবার রাতেই তাকে গ্রেফতার করা হয়। রোববার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাকে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।